আসালামু আলাইকুম । সময়ের অভাবে ঠিক কোন টপিক নিয়ে আলচনায় আসতে পারি না । আজকে একটু সময় বের করে নিলাম পোল্যান্ড নিয়ে টুকিটাকি আলাপ করব বলে । কিভাবে পোল্যান্ডের স্টুডেন্টস ভিসা নিবেন কি কি করনীয় সেই বিষয়ে আগেই গ্রুপের, ব্লগের পোষ্টে আলাপ করা হয়েছে । আজকের বিষয়বস্তু পোল্যান্ড আসার পর কিভাবে আপনার স্টুডেন্টস ভিসা/ পারমিট ওয়ার্ক পারমিটে পরিবর্তন করবেন? কি কি কন্ডিশন ইত্যাদি ইত্যাদি । ইউরোপে আমেরিকা আর আগে মানুষ শপ্ন থাকে এক রকম , আসার পর সেটার রুপ অন্য রকম । দেশে থাকা অবস্থায় প্রায় অনেকের ধারনা ইউরোপে একবার প্রবেশ করতে পারলেই লাখ টাকার কাতাআর পি.আর পেয়ে যাবে খুব সহজে । অথচ ইউরোপের চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত । কোন দেশে আসার আগে সঠিক তথ্য না জানলে এসে প্রব্লেম এর কোন শেষ ই নেই । আজকাল দেখা যায় অনেক ছেলেমেয়ে বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে ইউরোপে আসার ব্যাপারে খুব তুড়্গহুড় করে । এজেন্সির দেয়া তথ্য আর বাস্তবতায় কোন মিল থাকে না । এই ত কিছু দিন আগে একটা নামকরা পত্রিকার বিজ্ঞাপন চোখে পরল । খুব সম্বভ এজেন্সিটি চট্টগ্রামের কোন যায়গায় হবে । এমন লিখা ছিল বিজ্ঞাপনে - আমরা সুইডেনে স্টুডেন্টস/ ওয়ার্ক ভিসা প্রসেস করি ১০০% গ্যারান্টি সহকারে / ৩ বছর পর পি.আর পেতে সাহায্য করি ! :P বিজ্ঞাপন দেখে নিজেও টাস্কি খেয়ে গেলাম শুধু এই বিজ্ঞাপনই নয় এমন হাজারো বিজ্ঞপন এখন চোখে পড়ে । আসুন বিদেশ ভ্রমনের পূর্বে সত্য গুলো জেনে বিদেশ আসি । ইউরোপের কোন দেশে ই ৩ বছরে নরমালি পি. আর / পার্মানেন্ট রেসিদেন্স পারমিট নেয়ার সুযোগ নেই । যারা আপনাকে , আপনার অজ্ঞতাকে লোফে নেয়ার চেষ্টায় মগ্ন এরা দালাল ছাড়া বৈ কিছুই না । ইউরোপের হাতে ঘুনা কয়েকটা দেশ আছে যেখানে চাইলে কোন না কোন ভাবে লিগালি থেকে সেটেল হবার সুযোগ । অথচ বাংলা থেকে তারা কেহ ই জেনে আসেন না কোন কোন দেশে গেলে আমাকে পড়াশুনা শেষে দেশে ফেরত আসতে হবে না ? সবাই মনে করেন যে দেশে যাচ্ছি পরতে অই দেশে ই সেটেল হয়ে যাওয়া যাবে ! আসলে ই কি তাই । না দুনিয়া এত্ত সুজা না । প্রথম জীবনে ইউরোপে আসার পেছনে ২ টা জিনিস কাজ করত আমার মাথাই। প্রথমত আমি পড়াশুনা করে দেশে ফিরব, ২য়ত ভাল জব টব করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে দেশে ফেরত জাব কিন্তু ইউরোপে আসার পর চিন্তা ধারা সম্পূর্ণ বলদে গেল । ইউরোপের পরিবেশে ২-৪ বছর পড়াশুনার পর কেহ ই চান না দেশে ফিরে জেতে খুজতে থাকেন স্থায়ী বসাবসের রাস্তা । আমি সেটেলমেন্ট নিয়ে কখনো ভাবতাম না এই জন্য যে দেশে আমার ফিরে জেতেই হবে । এক মায়ের এক ছেলে বিদেশ থেকে আমার লাভ কি । যাই হোক ধারন পাল্টে গেল এক সময়। দেশের আর ইউরোপে জীবনের মধ্যে তফাৎ খুজতে লাগলাম । কারন গুলো উদঘাটন করলাম কেন আমাকে দেশে ফেরত না জেয়ে ইউরোপের কোন দেশে সেটেল হতে হবে । সেই অনুযায়ী কাজ করতে থাকলাম । অবশেষে পিঁপড়া মিষ্টির স্বাদ নিবে । যাইহোক চলেন কথা না বাড়াই আর আমাদের আজকের টপিক পোল্যান্ড নিয়ে কিভাবে পোল্যান্ড আসার পর সেটেল হওয়া যায় । বলতেছিলাম ইউরোপের হাতে গুনা কয়েকটা দেশে পড়াশুনা বা জব নিয়ে প্রবেশের পর স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ আছে এর মধ্যে পোল্যান্ড একটা । আপনি যদি সেটেলমেন্ট এর চিন্তা করে ইউরোপে আসেন তাহলে আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে আসতে হবে কোন দেশে সেটেল হওয়া যাবে । কাল কথা হবে ।।
Showing posts with label Resident permit. Show all posts
Showing posts with label Resident permit. Show all posts
Sunday, March 12, 2017
Saturday, April 6, 2013
কীভাবে আপনি অনলাইনে ভিসা, পাসপোর্ট, রেসিডেন্ট পার্মিট , ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি চেক করবেন?
কীভাবে আপনি অনলাইনে ভিসা, পাসপোর্ট, রেসিডেন্ট পার্মিট , ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি চেক করবেন?
বিদেশে আসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো হল পাসপোর্ট ও ভিসা । আর আমাদের দেশে থেকে যারা মিডল ইস্ট , ইউরোপ, কিংবা আফ্রিকা ভ্রমন কিংবা কাজের ভিসা নিয়ে যান তাদের অনেকেই অনেক সময় জাল ভিসা ও পাসপোর্ট বলে পুলিশ এর হাতে এয়ারপোর্ট এ আটকা পড়ে । কতিপয় দালাল এই সব ভিসা তৈরির কাজ করে থাকেন আর এর সাজা ভোগ করে নিরীহ বাঙালি । তাই আজকে আমার আলোচনার বিষয় বিদেশে আসার আগে কীভাবে ভিসা চেক করবেন? যারা ভিসা হাতে পাওয়ার পর বুঝতে পারেন না এটা আসল কিনা নকল তারা সহজে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ভিসা চেক করতে পারবেন । আমি আপনাদের কে কতিপয় দেশে ভিসা চেক করার পদ্ধতি ও ওয়েবসাইট সমুহের নাম দিচ্ছি ।
এই সব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি অনি দেশের কাজের ভিসা ও রেসিডেন্ট পার্মিট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন ।
১#বাংলাদেশ http://www.moi.gov.bd/
২#তানজানিয়া http://www.tanzania.go.tz/
৩#কাতারhttp://www.moi.gov.qa/site/english/
৪#কুয়েত http://www.moi.gov.kw/portal/varabic/ShowPage.aspx
৫#পাকিস্তান http://www.moitt.gov.pk/
৬# সৌদি আরব http://www.moi.gov.sa http://mol.gov.sa/
৭#দুবাই http://www.moi.gov.ae
৮#মিশর http://www.moiegypt.gov.eg/english
৯# সাইপ্রাস http://www.moi.gov.cy
১০#আলবেনিয়া http://www.moi.gov.al/
১১# জাম্বিয়া http://www.moi.gov.gm/
১২#জর্ডান http://www.moi.gov.jo/
১৩# ইন্ডিয়া http://labour.nic.in/content/
১৪#কেনিয়াhttp://www.labour.go.ke/
১৫# ইতালি https://www.visaservices.org.in/Italy-Bangladesh-Tracking/
১৬#সিঙ্গাপুর http://www.mom.gov.sg
১৭# স্লোভেনিয়া http://www.mddsz.gov.si/en
১৮#শ্রীলঙ্কা http://www.labourdept.gov.lk/
১৯# দক্ষিণ আফ্রিকা https://www.labour.gov.za/
২০#থাইল্যান্ড http://www.mfa.go.th/main/
২১#বাহরাইন http://www.mol.gov.bh/
২৩#কানাডা http://www.labour.gov.on.ca/english/
২৪#কোরিয়া http://www.moel.go.kr/english
২৫#জাপান http://www.mhlw.go.jp/english/
২৬#পোল্যান্ড http://www.mpips.gov.pl/en
২৭#ইংল্যান্ড http://www.ukba.homeoffice.gov.uk/
২৮#বুলগেরিয়া http://www.government.bg/
২৯#স্পেন http://www.empleo.gob.es/en/
৩০# ইউক্রাইন http://www.mlsp.gov.ua/labour/control/uk/index
৩১# মালায়শিয়া http://www.mohr.gov.my/index.php/en/
৩২#কানাডা http://www.cic.gc.ca/english/index-can.asp
৩৩#ওমান http://www.rop.gov.om/
৩৪#ওগান্দা http://www.mglsd.go.ug/
৩৫#ফিলিপাইন http://www.dole.gov.ph/
আর ইউরোপের ভিসা, পাসপোর্ট, রেসিডেন্ট পার্মিট , ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি চেক করতে হলে নিচের ওয়েবসাইটে গিয়ে চেক করতে হবে । এখান থেকে আপনি সব কয়টি ুইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভুক্ত দেশের ডকুমেন্টস চেক করতে পারবেন । আর সব দেশের ডকুমেন্টস এর ফরম্যাট ও দেয়া আছে কোন দেশের ভিসা, পাসপোর্ট, রেসিডেন্ট পার্মিট , ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি কেমন হয় সেটাও আপনি দেখতে পাবেন ।
চেক করতে পারেন এই ওয়েবসাইট থেকে :
Counsil of European union - Public Registary of Authentic Identity and Travel Documents Check Online
আশা করি আপনারা এই তথ্য গুলোর সঠিক ব্যাবহার করে আমার লিখা কে সার্থক করবেন। সব কিছুর আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে ।।
Friday, April 5, 2013
Types of Visas & Resident Permit in Europe : ইউরোপের ভিসার প্রকারভেদ
Types of Visas & Resident Permit in Europe : ইউরোপের ভিসার প্রকারভেদ :
An airport transit visa (A) allows you to transit through the international zone of a Schengen airport without entering the Schengen territory.
ভিসা কেটাগরী A হচ্ছে যদি আপনি ইউরোপের কোন সেনজেন ভুক্ত দেশ হয়ে অন্য কোন দেশে যান তাহলে শুধু মাত্র এয়ারপোর্ট এ অবস্থানের জন্য যেই ভিসা দেয়া হয় . সেটা এয়ারপোর্ট ট্রানজিট ভিসা বলা হয় .
A transit visa (B) allows you to transit no more than 5 days through Schengen countries by car, coach or traveling through different airports on your way to another non-Schengen country.
ভিসা কেটাগরী B হচ্ছে আপনি যদি কোন সেনজেন আওতাভুক্ত দেশ হয়ে অন্য কথাও ভ্রমন করতে চান এবং এয়ারপোর্ট এর বাহিরে অবস্থান করতে চান তাহলে আপনি যেই ধরনের ভিসা পাবেন সেটা হলো ভিসা B . এই ভিসাতে আপনি সর্বোচ ৫ দিন পর্যন্ত সেনজেন আওতাভুক্ত দেশে অবস্থান করতে পারবেন .
A short stay visa (C) allows you to visit the Schengen countries for tourism, family or business visits, up to a maximum of 90 days in a given 180 days period.
ভিসা কেটাগরি C হচ্ছে ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে ভ্রমনের জন্য সেই সকল ভিসা প্রদান করা হয় , সাধারণত এই ভিসা সেনজেন ভিসা নাম পরিচিত . সর্বোচ্চ ৯০ দিন আপনি এই ভিসা পেতে পারেন . তবে বিশেষ ক্ষেত্রে যেমন ব্যবসায়ী ভ্রমনে, কিনবা মেডিকেল ট্রিটমেন্ট এর জন্য আসলে আপনাক ১৮০ দিন পর্যন্ত মেয়াদ দিতে পারে . এই ভিসা ভ্রমণের জন্য শুধু কাজের জন্য কোন অনুমতি নেই .আরেকটা জিনিস এই ভিসা কখনো মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না . নিদিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে আপনাকে সেনজেন এরিয়া ছাড়তে হবে.
A circulation visa (C) is a short stay visa valid at least a year: It is mainly issued for business visits that have an invitation letter from a Schengen country, to aircrew members, to people having a special interest in the Schengen territory. ভিসা কেটাগরি C টা হচ্ছে এক বছর মেয়াদী ভ্রমন ভিসা . এই ভিসা পেতে হলে আপনাকে সেনজেন যে কোন দেশে থেকে কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থাকে নিমন্ত্রণ পত্র দেখাতে হবে . অন্যথায় আপনি সল্প্পকালীন মেয়াদী কোন কাজের জন্য আসলে এই ভিসা প্রদান করা হয় . যেমন ইতালি , ডেনমার্কে যারা ফল পারার কাজে আসেন তাদের কে এই রকম C ভিসা প্রদান করা হয় . ইটা ও মেয়াদ ফিক্স করা . ১ বছর পর আপনি আর মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না . যদি না মালিক আপনাকে সাহায্য করে বা কোন কনফার্মেশন দেয় যে আপনি পরবর্তী বছর ও একই মালিকের অধীনে কাজ করবেন কিংবা করতে পারবেন .
A long stay visa (D) allows you to stay for more than 3 months, e.g., study, work, retire etc.
ভিসা কেটাগরি D হচ্ছে দির্গমেয়াদী ভিসা যা আপনাকে যত দিন ভিসার মেয়াদ থাকবে ততদিন থাকার নিশ্চয়য়তা দিবে . যারা ইউরোপে পড়াশুনা ও চাকুরী নিয়ে আসেন তাদের কে এই ভিসা প্রদান করা হয় . এই ভিসায় আপনি কাজের ক্ষেত্রে কাজ ও পড়াশুনার ক্ষেত্রে পাশাপাশি ২০ ঘন্টা কাজের অনুমতি পাবেন .
রেসিডেন্ট পার্মিট : TR / PR
কারো যদি সেনজেন ভুক্ত যে কোন দেশের রেসিডেন্ট পার্মিট থাকে তাহলে নির্দিদায় আপনি যে কোন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভুক্ত দেশে ভ্রমন করতে পারবেন . তবে আপনি যে দেশের ইস্সু করা রেসিডেন্ট পার্মিট ওইদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশে কাজের জন্য অনুমুদিত না . শুধু মাত্র ওই দেশে এ আপনি কাজ করতে পারবেন যেই দেশ আপনার রেসিডেন্ট পার্মিট কার্ড ইস্সু করছে . রেসিডেন্ট পার্মিট টা সাধারণত ১ কিংবা ২ বছর মেয়াদের হয় . আপনি যদি ছাত্র হন তাহলে কলেজ আপনাকে সাহায্য করে মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে আর যদি চাকুরী জিবি হন বা ব্যবসা করে তাহলে আপনাকে কর প্রদান করে মেয়াদ ভাড়াতে হবে . এটা TR বা অস্থ্য়ী পার্মিট বলা হয়ে থাকে .
নির্দিষ্ট একটা সময় ওই দেশে থাকার পর আপনি PR বা স্থায়ী নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন . যেমন পর্তুগালের ক্ষেত্রে ৫ বছর, ইতালির ক্ষেত্রে ৫/১০ বছর হয়ে থাকে .
মনে রাখবেন সেনজেন ভুক্ত দেশ গুলো হলো : ২৬ মেম্বার্স .
অস্ট্রিয়া,বেলজিয়াম,চেক রিপাবলিক,ডেনমার্ক,এস্তোনিয়া, ফিনল্যাণ্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আইস্ল্যাণ্ড,ইতালি, লাটভিয়া, লিচেস্তেইন, লিথুয়ানিয়া, লাক্সেমবার্গ, মালটা, নেদারল্যান্ড,নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইটজারল্যান্ড।
এই দেশ গুলোর যে কোন একটির ইস্সু কৃত রেসিডেন্ট পার্মিট দিয়ে আপনি সব কটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভুক্ত দেশে বিনা বাধায় যেতে পারবেন . তবে সাইপ্রাস , রোমানিয়া , বুলগেরিয়া ক্রোয়েশিয়া এই দেশ সমূহ সুধু মাত্র ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভুক্ত হওয়ায় এই ৪ দেশের ইস্সু করা রেসিডেন্ট পার্মিট দিয়ে আপনি সেনজেন দেশ ভুক্ত দেশে যেতে পারবেন না . আপনাকে যেতে হলে শর্ট টার্ম ভিসা নিতে হবে . C ভিসা .
Cyprus, Romania, Bulgaria, Croatia issued resident permit are not allowed to visit or stay in shengen member states. you have to take visa for purpose of visa in schengen member states. cause these 4 member until now out of shengen zone.
আশা করি ইউরোপে আসতে ইচ্ছুক ভাই বোনদের ভিসা ও রেসিডেন্ট পার্মিট সম্পর্কে আর কোন সমস্যা থাকবে না .
ধন্যবাদ
An airport transit visa (A) allows you to transit through the international zone of a Schengen airport without entering the Schengen territory.
ভিসা কেটাগরী A হচ্ছে যদি আপনি ইউরোপের কোন সেনজেন ভুক্ত দেশ হয়ে অন্য কোন দেশে যান তাহলে শুধু মাত্র এয়ারপোর্ট এ অবস্থানের জন্য যেই ভিসা দেয়া হয় . সেটা এয়ারপোর্ট ট্রানজিট ভিসা বলা হয় .
A transit visa (B) allows you to transit no more than 5 days through Schengen countries by car, coach or traveling through different airports on your way to another non-Schengen country.
ভিসা কেটাগরী B হচ্ছে আপনি যদি কোন সেনজেন আওতাভুক্ত দেশ হয়ে অন্য কথাও ভ্রমন করতে চান এবং এয়ারপোর্ট এর বাহিরে অবস্থান করতে চান তাহলে আপনি যেই ধরনের ভিসা পাবেন সেটা হলো ভিসা B . এই ভিসাতে আপনি সর্বোচ ৫ দিন পর্যন্ত সেনজেন আওতাভুক্ত দেশে অবস্থান করতে পারবেন .
A short stay visa (C) allows you to visit the Schengen countries for tourism, family or business visits, up to a maximum of 90 days in a given 180 days period.
ভিসা কেটাগরি C হচ্ছে ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে ভ্রমনের জন্য সেই সকল ভিসা প্রদান করা হয় , সাধারণত এই ভিসা সেনজেন ভিসা নাম পরিচিত . সর্বোচ্চ ৯০ দিন আপনি এই ভিসা পেতে পারেন . তবে বিশেষ ক্ষেত্রে যেমন ব্যবসায়ী ভ্রমনে, কিনবা মেডিকেল ট্রিটমেন্ট এর জন্য আসলে আপনাক ১৮০ দিন পর্যন্ত মেয়াদ দিতে পারে . এই ভিসা ভ্রমণের জন্য শুধু কাজের জন্য কোন অনুমতি নেই .আরেকটা জিনিস এই ভিসা কখনো মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না . নিদিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে আপনাকে সেনজেন এরিয়া ছাড়তে হবে.
A circulation visa (C) is a short stay visa valid at least a year: It is mainly issued for business visits that have an invitation letter from a Schengen country, to aircrew members, to people having a special interest in the Schengen territory. ভিসা কেটাগরি C টা হচ্ছে এক বছর মেয়াদী ভ্রমন ভিসা . এই ভিসা পেতে হলে আপনাকে সেনজেন যে কোন দেশে থেকে কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থাকে নিমন্ত্রণ পত্র দেখাতে হবে . অন্যথায় আপনি সল্প্পকালীন মেয়াদী কোন কাজের জন্য আসলে এই ভিসা প্রদান করা হয় . যেমন ইতালি , ডেনমার্কে যারা ফল পারার কাজে আসেন তাদের কে এই রকম C ভিসা প্রদান করা হয় . ইটা ও মেয়াদ ফিক্স করা . ১ বছর পর আপনি আর মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না . যদি না মালিক আপনাকে সাহায্য করে বা কোন কনফার্মেশন দেয় যে আপনি পরবর্তী বছর ও একই মালিকের অধীনে কাজ করবেন কিংবা করতে পারবেন .
A long stay visa (D) allows you to stay for more than 3 months, e.g., study, work, retire etc.
ভিসা কেটাগরি D হচ্ছে দির্গমেয়াদী ভিসা যা আপনাকে যত দিন ভিসার মেয়াদ থাকবে ততদিন থাকার নিশ্চয়য়তা দিবে . যারা ইউরোপে পড়াশুনা ও চাকুরী নিয়ে আসেন তাদের কে এই ভিসা প্রদান করা হয় . এই ভিসায় আপনি কাজের ক্ষেত্রে কাজ ও পড়াশুনার ক্ষেত্রে পাশাপাশি ২০ ঘন্টা কাজের অনুমতি পাবেন .
রেসিডেন্ট পার্মিট : TR / PR
কারো যদি সেনজেন ভুক্ত যে কোন দেশের রেসিডেন্ট পার্মিট থাকে তাহলে নির্দিদায় আপনি যে কোন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভুক্ত দেশে ভ্রমন করতে পারবেন . তবে আপনি যে দেশের ইস্সু করা রেসিডেন্ট পার্মিট ওইদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশে কাজের জন্য অনুমুদিত না . শুধু মাত্র ওই দেশে এ আপনি কাজ করতে পারবেন যেই দেশ আপনার রেসিডেন্ট পার্মিট কার্ড ইস্সু করছে . রেসিডেন্ট পার্মিট টা সাধারণত ১ কিংবা ২ বছর মেয়াদের হয় . আপনি যদি ছাত্র হন তাহলে কলেজ আপনাকে সাহায্য করে মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে আর যদি চাকুরী জিবি হন বা ব্যবসা করে তাহলে আপনাকে কর প্রদান করে মেয়াদ ভাড়াতে হবে . এটা TR বা অস্থ্য়ী পার্মিট বলা হয়ে থাকে .
নির্দিষ্ট একটা সময় ওই দেশে থাকার পর আপনি PR বা স্থায়ী নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন . যেমন পর্তুগালের ক্ষেত্রে ৫ বছর, ইতালির ক্ষেত্রে ৫/১০ বছর হয়ে থাকে .
মনে রাখবেন সেনজেন ভুক্ত দেশ গুলো হলো : ২৬ মেম্বার্স .
অস্ট্রিয়া,বেলজিয়াম,চেক রিপাবলিক,ডেনমার্ক,এস্তোনিয়া, ফিনল্যাণ্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আইস্ল্যাণ্ড,ইতালি, লাটভিয়া, লিচেস্তেইন, লিথুয়ানিয়া, লাক্সেমবার্গ, মালটা, নেদারল্যান্ড,নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইটজারল্যান্ড।
এই দেশ গুলোর যে কোন একটির ইস্সু কৃত রেসিডেন্ট পার্মিট দিয়ে আপনি সব কটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভুক্ত দেশে বিনা বাধায় যেতে পারবেন . তবে সাইপ্রাস , রোমানিয়া , বুলগেরিয়া ক্রোয়েশিয়া এই দেশ সমূহ সুধু মাত্র ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভুক্ত হওয়ায় এই ৪ দেশের ইস্সু করা রেসিডেন্ট পার্মিট দিয়ে আপনি সেনজেন দেশ ভুক্ত দেশে যেতে পারবেন না . আপনাকে যেতে হলে শর্ট টার্ম ভিসা নিতে হবে . C ভিসা .
Cyprus, Romania, Bulgaria, Croatia issued resident permit are not allowed to visit or stay in shengen member states. you have to take visa for purpose of visa in schengen member states. cause these 4 member until now out of shengen zone.
আশা করি ইউরোপে আসতে ইচ্ছুক ভাই বোনদের ভিসা ও রেসিডেন্ট পার্মিট সম্পর্কে আর কোন সমস্যা থাকবে না .
ধন্যবাদ
ইমিগ্রেশন টু পর্তুগাল - অবৈধদের ও বৈধ হওয়ার সুযোগ আছে পর্তুগালে ।
Immigration To Portugal :: Illeagal people can be legalized .
পর্তুগালে ইমিগ্রেশন : অবৈধদের ও বৈধ হওয়ার সুযোগ আছে পর্তুগালে .
পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সম্পর্কে জটিল একটা পোস্ট দিব বলে ভাবছি অনেক দিন ধরে . কিন্তু সময়ের সল্পতার কারণে ঠিক পেড়ে উটঠে পারছি না . তবে একটা জিনিস আভাস দিয়ে রাখি ইউরোপ যে সকল ভাইরা বর্তমানে অবৈধ অবস্থায় বিভিন্ন দেশে আছেন তাদের জন্য এই পোস্টটি অনেক গুরত্ব বয়ে আনবে . তবে কিছু শর্তাবলী অবশ্যই জানতে হবে যে কিসের ভিত্তিতে আপনি পর্তুগালে বৈধতা পেতে পারেন . ২০০৭ সালের জুন মাস থেকে পর্তুগাল ইমিগ্রেশন থার্ড কান্ট্রি migrant দের জন্য একটি নতুন অভিবাসন আইন চালু করেছেন . ইমিগ্রেশন আর্টিকেল নম্বর ৮৮-২ ধারা তে আপনি পর্তুগালের বৈধতা পেতে পারেন তবে শর্ত হচ্ছে আপনাকে ইউরোপ বৈধ পথে এসেছেন তার প্রমান দেখাতে হবে . তার মানে আপনি ইউরোপ ভিসা নিয়ে এসেছেন , আপনার পাসপোর্ট এ ইমিগ্রেশন কর্তিপক্ষের সীল ( যেকোন এয়ারপোর্ট এর ) আছে ইত্যাদি প্রমানাদি দেখাতে হবে .মূলকথা হছে আপনাকে অবস্যই সেনজেন ভিসা আসে এমন পাসপোর্ট থাকতে হবে . তারপর পাসপোর্ট দিয়ে আপনি পর্তুগাল ট্যাক্স কর্তিপক্ষের কাছ থেকে ট্যাক্স নম্বর নিয়ে পর্তুগালের কোন মালিকের অধীনে কাজ দেখিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর নিতে হবে .Social Security Number . তারপর ৬ মাস ট্যাক্স প্রদান করতে হবে কম পক্ষে . ট্যাক্স এর পরিমান বেশি হলে ও ভালো হয় তবে নিয়ম হচ্ছে কমপক্ষে ৬ টি ট্যাক্স প্রদান করতে হয়. তার শুরু হলো অন্যান্য দরকারী কাগজ পত্র এক সাথে করা . এর মধে কথা হচ্ছে ৩-৪ টি ট্যাক্স দেয়ার পর আপনার ফাইল টি পর্তুগালের ইমিগ্রেশন পোর্টালে এন্ট্রি করাতে হবে এই ওয়েবসাইট http://bit.ly/9vcAGC .ফাইল এন্ট্রি করার পরে ইমিগ্রেশন কর্তিপক্ষ আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকবে . ফাইল তাদের ওয়েবসাইট এন্ট্রি করার পর ইন্টারভিউ এর তারিখ দিতে ২-৩ মাস সময় লাগে , কারো কারো ক্ষেত্রে ১ মাসের মধ্যে ডাকে . ইমিগ্রেশন ইন্টারভিউ ডাকলে আপনাকে সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে যেতে হবে . প্রশ্ন হলে আর কি কি ডকুমেন্টস দরকার ? এখন আপনাকে বলছি কি কি ডকুমেন্টস আপনাকে তাদের সামনে দেখাতে হবে .
শর্তাবলী
১ # প্রাথমিকt অবস্থায় আপনার পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা থাকতে হবে .(মেয়াদহীন ভিসা )
২ # আপনার পর্তুগিজ ট্যাক্স নাম্বার . এটাকে NIF বলা হয়ে থাকে . -Número de Indentificação Fiscal (NIF) .( যেটা আপনি পর্তুগালে যাওয়ার পর পাসপোর্ট শো করে ট্যাক্স অফিস থেকে নিতে পারবেন .ট্যাক্স নম্বর নিতে ৮.৯০ ইউরো খরচ হবে .
৩ # পর্তুগিজ social security number যা সংক্ষেপে NISS বলা হয়ে থাকে (.Número de Identificação de Segurança Social -NISS ) ইটা আপনি যখন পর্তুগালে কনু মালিকের অধীনে কাজ করবে তখন মালিক আপনার কাজের চুক্তি করলে এই নম্বর পারেন . কিন্তু একটা জিনিস বলে রাখা দরকার পর্তুগালের সাধারণত কাজ পাওয়া ও সাথে কাজের কন্ট্রাক্ট পাওয়া একটু মুশকিল. যারা এ পর্তুগালের কাগজের আশায় যায় তারা বাঙালিদের কাজ থেকে বা আফ্রিকান পর্তুগিজদের কাজ থেকে টাকার বিনিময়ে কাজের কন্ট্রাক্ট নিয়ে থাকেন .কাজের কন্ট্রাক্ট কিনতে ২০০০-২৫০০ ইউরো পর্যন্ত নেন অনেকে . এটা আসলে বাঙালিদের একটা ব্যবসায় পরিনত হয়ে গেছে বলে লাভ নাই
৪# কাজের কন্ট্রাক্ট বা চুক্তিনামা .কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদের .
৫# বাংলাদেশী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট . দেশে থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রলায় থেকে সত্যায়িত করে আনার পর পর্তুগিজ ভাষায় রূপান্তর করে বাংলাদেশ এম্বেসী অফ লিসবন থেকে সত্যায়িত করতে হবে.
৬# পর্তুগাল এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট + ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট . ২ তা সার্টিফিকেটই একই অফিস থেকে তুলতে হয় .পর্তুগালের লিসবনে Loja do cidadão নামে একটা অফিস আছে ওই অফিস থেকে ওই সার্টিফিকেট ২ তা তুলতে পারবেন. ২ তার জন্য ১২ ইউরো খরচ হবে .
৭# আপনি যদি অন্য কোন দেশে ৬ মাসের বেশি অবস্থা করেন যেমন লন্ডন, সাইপ্রাস আয়ারল্যান্ড রোমানিয়া এই সকল দেশে ছাত্র ছিলেন পরে সেনজেন ভিসা নিয়ে ইউরোপ ডুকেছেন তাদের ক্ষেত্রে যে যেই দেশে অবস্থা করেছেন ওই ওই দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে . বাধ্যতামূলক. কিংবা ইতালিয়ান ভিসা নিয়ে ইতালি এসেছেন ৬ মাসের ও বেশি সময় ইতালি কাটিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ও ইতালিয়ান পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে . অন্য কোন ভাষায় হলে সেটা কে ট্রান্সলেট করে শুধু নোটারি করতে হবে .
৮# আপনি ৬ টি ট্যাক্স প্রদান করেছেন সেটার সার্টিফিকেট . Social security office থেকে আপনি যতবার খুশি বিনা পয়সায় তুলতে পারবেন . তবে সেটার জন্য লম্বা লাইন দাড়াতে হবে .
৯# Proof of address . আপনি যে মিউনিসিপালিটি তে থাকেন সেখান থেকে এই সার্টিফিকেট তা নিতে হবে . junta de freguesia এই অফিস থেকে নিতে হবে . আপনি যে এরিয়া তে থাকেন ওই খানকার junta de ফ্রেগুএসিয়া থেকে নিতে ১০ ইউরো খরচ পড়বে. তবে ৩ দিন আগে আবেদন করতে হবে . এক দিনে ও নিতে পারেন তবে ৩০ ইউরো চার্জ নিতে .
আপনার ফাইল ইমিগ্রেশন পোর্টালে এন্ট্রি করার পর আপনাকে একটা আই.ডি ও গোপন নম্বর দেয়া হবে . ওই নম্বর ও আইডি নির্দিষ্ট জায়গায়( http://bit.ly/9vcAGC ) প্রবেশ করে আপনি আপনার ফাইল চেক করতে পারবেন . এরা যদি আপনাকে ইন্টারভিউ এর তারিখ দেয় তাহলে ও আপনি দেখতে পাবেন . সাধারণত অনলাইন তারিখ প্রদানের পর ঠিক ওই দিন ই ইমিগ্রেশন থেকে আপনাকে কল করবে . ইন্টারভিউ এর তারিখ পাওয়ার পর উপরোক্ত ডকুমেন্টস সহ টাইম মত ইমিগ্রেশন অফিস এ হাজির হতে হবে . সেই ক্ষেত্রে আপনাকে টুক টাক পর্তুগিজ ভাষা রপ্ত করতে হবে যদি তারা আপনাকে প্রথমে পর্তুগিজে প্রশ্ন করবে , না বলতে পারলে ইংলিশ এ বলে দিবেন . তাছাড়া সমস্ত কাগজপত্র ইমিগ্রেশন এ এন্ট্রি কিংবা ইন্টারভিউ তারিখ দিতে দেরী হলে আপনি একজন আডভোকেট নিয়োগ করতে পারে . পর্তুগালের খুব সস্তায় আডভুকেট পাওয়া যায় . মাত্র ২০০ ইউরো তে সব কিছুর কন্ট্রাক্ট লয়ার কে আপনি দিতে পারেন . সে ক্ষেত্রে ইন্টারভিউ এর দিন আপনি ইংলিশ বলতে না পারলে ও আডভুকেট আপনার হেল্প করবে সব কিছুর বেপারে .
আর একটা কথা বলতে চাই পরিশেষে যাদের পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা আছে তারা 1000% গারান্টি ইউরোপের কথাও কাগজ না করতে পারলেও পর্তুগালের যদি কাজের বেবস্থা করে ৬ মাস ট্যাক্স প্রদান করে তাহলে কাগজ আপনার হবে ই . পর্তুগালের প্রাথমিক ভাবে যেই রেসিডেন্ট পার্মিট তা দেয়া হয় সেটার মেয়াদ ১ বছর . মেয়ার বাড়লে ২ বছরের জন্য এই ভাবে ৫ বছর পর্তুগালে অবস্থানের পর আপনি পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে পারে. তবে আপনাকে পর্তুগিজ ভাষার দক্ষতা দেখাতে হবে কমপক্ষে ইউরোপিয়ান লেভেলে B2 .পর্তুগিজ ভাষা অনেক সহজ . খুব কম সময়ে আপনি আয়ত্ত করতে পারবেন চিন্তার কোন কারণ নাই. আর সবশেষে সেই সকল ভাই দের কে অনুরোধ করব তারা অবৈধ অবস্থায় আছেন কথাও বসে না থেকে যদি আপনার পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা থাকে তাহলে পর্তুগাল থেকে পেপারস তা বানিয়ে নিয়ে আসেন . স্টুডেন্ট ভিসায় ( যাদের পাসপোর্ট এ স্টুডেন্ট ভিসা D টাইপ )যারা পর্তুগালে আগে ২০১১ সালে আবেদন করেছে তারা কাগজ পেয়েছে কিন্তু ২০১২ সাল থেকে একটু সমসা করতেছে পর্তুগাল ইমিগ্রেশন . তবে আশাবাদী খুব শীগ্রই এই সমসার সমাধান হবে . আমার এই পোস্ট ধারা যদি কোন ভাই উপকৃত হয় তাহলে অনুরোধ করব এই পেইজটা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার .. যদি কোন কিছু জানার থাকে এই বেপারে তাহলে মেসাজ বা কমেন্টস করে জানাতে পারেন.
ধন্যবাদ .
পর্তুগালে ইমিগ্রেশন : অবৈধদের ও বৈধ হওয়ার সুযোগ আছে পর্তুগালে .
পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সম্পর্কে জটিল একটা পোস্ট দিব বলে ভাবছি অনেক দিন ধরে . কিন্তু সময়ের সল্পতার কারণে ঠিক পেড়ে উটঠে পারছি না . তবে একটা জিনিস আভাস দিয়ে রাখি ইউরোপ যে সকল ভাইরা বর্তমানে অবৈধ অবস্থায় বিভিন্ন দেশে আছেন তাদের জন্য এই পোস্টটি অনেক গুরত্ব বয়ে আনবে . তবে কিছু শর্তাবলী অবশ্যই জানতে হবে যে কিসের ভিত্তিতে আপনি পর্তুগালে বৈধতা পেতে পারেন . ২০০৭ সালের জুন মাস থেকে পর্তুগাল ইমিগ্রেশন থার্ড কান্ট্রি migrant দের জন্য একটি নতুন অভিবাসন আইন চালু করেছেন . ইমিগ্রেশন আর্টিকেল নম্বর ৮৮-২ ধারা তে আপনি পর্তুগালের বৈধতা পেতে পারেন তবে শর্ত হচ্ছে আপনাকে ইউরোপ বৈধ পথে এসেছেন তার প্রমান দেখাতে হবে . তার মানে আপনি ইউরোপ ভিসা নিয়ে এসেছেন , আপনার পাসপোর্ট এ ইমিগ্রেশন কর্তিপক্ষের সীল ( যেকোন এয়ারপোর্ট এর ) আছে ইত্যাদি প্রমানাদি দেখাতে হবে .মূলকথা হছে আপনাকে অবস্যই সেনজেন ভিসা আসে এমন পাসপোর্ট থাকতে হবে . তারপর পাসপোর্ট দিয়ে আপনি পর্তুগাল ট্যাক্স কর্তিপক্ষের কাছ থেকে ট্যাক্স নম্বর নিয়ে পর্তুগালের কোন মালিকের অধীনে কাজ দেখিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর নিতে হবে .Social Security Number . তারপর ৬ মাস ট্যাক্স প্রদান করতে হবে কম পক্ষে . ট্যাক্স এর পরিমান বেশি হলে ও ভালো হয় তবে নিয়ম হচ্ছে কমপক্ষে ৬ টি ট্যাক্স প্রদান করতে হয়. তার শুরু হলো অন্যান্য দরকারী কাগজ পত্র এক সাথে করা . এর মধে কথা হচ্ছে ৩-৪ টি ট্যাক্স দেয়ার পর আপনার ফাইল টি পর্তুগালের ইমিগ্রেশন পোর্টালে এন্ট্রি করাতে হবে এই ওয়েবসাইট http://bit.ly/9vcAGC .ফাইল এন্ট্রি করার পরে ইমিগ্রেশন কর্তিপক্ষ আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকবে . ফাইল তাদের ওয়েবসাইট এন্ট্রি করার পর ইন্টারভিউ এর তারিখ দিতে ২-৩ মাস সময় লাগে , কারো কারো ক্ষেত্রে ১ মাসের মধ্যে ডাকে . ইমিগ্রেশন ইন্টারভিউ ডাকলে আপনাকে সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে যেতে হবে . প্রশ্ন হলে আর কি কি ডকুমেন্টস দরকার ? এখন আপনাকে বলছি কি কি ডকুমেন্টস আপনাকে তাদের সামনে দেখাতে হবে .
শর্তাবলী
১ # প্রাথমিকt অবস্থায় আপনার পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা থাকতে হবে .(মেয়াদহীন ভিসা )
২ # আপনার পর্তুগিজ ট্যাক্স নাম্বার . এটাকে NIF বলা হয়ে থাকে . -Número de Indentificação Fiscal (NIF) .( যেটা আপনি পর্তুগালে যাওয়ার পর পাসপোর্ট শো করে ট্যাক্স অফিস থেকে নিতে পারবেন .ট্যাক্স নম্বর নিতে ৮.৯০ ইউরো খরচ হবে .
৩ # পর্তুগিজ social security number যা সংক্ষেপে NISS বলা হয়ে থাকে (.Número de Identificação de Segurança Social -NISS ) ইটা আপনি যখন পর্তুগালে কনু মালিকের অধীনে কাজ করবে তখন মালিক আপনার কাজের চুক্তি করলে এই নম্বর পারেন . কিন্তু একটা জিনিস বলে রাখা দরকার পর্তুগালের সাধারণত কাজ পাওয়া ও সাথে কাজের কন্ট্রাক্ট পাওয়া একটু মুশকিল. যারা এ পর্তুগালের কাগজের আশায় যায় তারা বাঙালিদের কাজ থেকে বা আফ্রিকান পর্তুগিজদের কাজ থেকে টাকার বিনিময়ে কাজের কন্ট্রাক্ট নিয়ে থাকেন .কাজের কন্ট্রাক্ট কিনতে ২০০০-২৫০০ ইউরো পর্যন্ত নেন অনেকে . এটা আসলে বাঙালিদের একটা ব্যবসায় পরিনত হয়ে গেছে বলে লাভ নাই
৪# কাজের কন্ট্রাক্ট বা চুক্তিনামা .কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদের .
৫# বাংলাদেশী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট . দেশে থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রলায় থেকে সত্যায়িত করে আনার পর পর্তুগিজ ভাষায় রূপান্তর করে বাংলাদেশ এম্বেসী অফ লিসবন থেকে সত্যায়িত করতে হবে.
৬# পর্তুগাল এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট + ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট . ২ তা সার্টিফিকেটই একই অফিস থেকে তুলতে হয় .পর্তুগালের লিসবনে Loja do cidadão নামে একটা অফিস আছে ওই অফিস থেকে ওই সার্টিফিকেট ২ তা তুলতে পারবেন. ২ তার জন্য ১২ ইউরো খরচ হবে .
৭# আপনি যদি অন্য কোন দেশে ৬ মাসের বেশি অবস্থা করেন যেমন লন্ডন, সাইপ্রাস আয়ারল্যান্ড রোমানিয়া এই সকল দেশে ছাত্র ছিলেন পরে সেনজেন ভিসা নিয়ে ইউরোপ ডুকেছেন তাদের ক্ষেত্রে যে যেই দেশে অবস্থা করেছেন ওই ওই দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে . বাধ্যতামূলক. কিংবা ইতালিয়ান ভিসা নিয়ে ইতালি এসেছেন ৬ মাসের ও বেশি সময় ইতালি কাটিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ও ইতালিয়ান পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে . অন্য কোন ভাষায় হলে সেটা কে ট্রান্সলেট করে শুধু নোটারি করতে হবে .
৮# আপনি ৬ টি ট্যাক্স প্রদান করেছেন সেটার সার্টিফিকেট . Social security office থেকে আপনি যতবার খুশি বিনা পয়সায় তুলতে পারবেন . তবে সেটার জন্য লম্বা লাইন দাড়াতে হবে .
৯# Proof of address . আপনি যে মিউনিসিপালিটি তে থাকেন সেখান থেকে এই সার্টিফিকেট তা নিতে হবে . junta de freguesia এই অফিস থেকে নিতে হবে . আপনি যে এরিয়া তে থাকেন ওই খানকার junta de ফ্রেগুএসিয়া থেকে নিতে ১০ ইউরো খরচ পড়বে. তবে ৩ দিন আগে আবেদন করতে হবে . এক দিনে ও নিতে পারেন তবে ৩০ ইউরো চার্জ নিতে .
আপনার ফাইল ইমিগ্রেশন পোর্টালে এন্ট্রি করার পর আপনাকে একটা আই.ডি ও গোপন নম্বর দেয়া হবে . ওই নম্বর ও আইডি নির্দিষ্ট জায়গায়( http://bit.ly/9vcAGC ) প্রবেশ করে আপনি আপনার ফাইল চেক করতে পারবেন . এরা যদি আপনাকে ইন্টারভিউ এর তারিখ দেয় তাহলে ও আপনি দেখতে পাবেন . সাধারণত অনলাইন তারিখ প্রদানের পর ঠিক ওই দিন ই ইমিগ্রেশন থেকে আপনাকে কল করবে . ইন্টারভিউ এর তারিখ পাওয়ার পর উপরোক্ত ডকুমেন্টস সহ টাইম মত ইমিগ্রেশন অফিস এ হাজির হতে হবে . সেই ক্ষেত্রে আপনাকে টুক টাক পর্তুগিজ ভাষা রপ্ত করতে হবে যদি তারা আপনাকে প্রথমে পর্তুগিজে প্রশ্ন করবে , না বলতে পারলে ইংলিশ এ বলে দিবেন . তাছাড়া সমস্ত কাগজপত্র ইমিগ্রেশন এ এন্ট্রি কিংবা ইন্টারভিউ তারিখ দিতে দেরী হলে আপনি একজন আডভোকেট নিয়োগ করতে পারে . পর্তুগালের খুব সস্তায় আডভুকেট পাওয়া যায় . মাত্র ২০০ ইউরো তে সব কিছুর কন্ট্রাক্ট লয়ার কে আপনি দিতে পারেন . সে ক্ষেত্রে ইন্টারভিউ এর দিন আপনি ইংলিশ বলতে না পারলে ও আডভুকেট আপনার হেল্প করবে সব কিছুর বেপারে .
আর একটা কথা বলতে চাই পরিশেষে যাদের পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা আছে তারা 1000% গারান্টি ইউরোপের কথাও কাগজ না করতে পারলেও পর্তুগালের যদি কাজের বেবস্থা করে ৬ মাস ট্যাক্স প্রদান করে তাহলে কাগজ আপনার হবে ই . পর্তুগালের প্রাথমিক ভাবে যেই রেসিডেন্ট পার্মিট তা দেয়া হয় সেটার মেয়াদ ১ বছর . মেয়ার বাড়লে ২ বছরের জন্য এই ভাবে ৫ বছর পর্তুগালে অবস্থানের পর আপনি পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে পারে. তবে আপনাকে পর্তুগিজ ভাষার দক্ষতা দেখাতে হবে কমপক্ষে ইউরোপিয়ান লেভেলে B2 .পর্তুগিজ ভাষা অনেক সহজ . খুব কম সময়ে আপনি আয়ত্ত করতে পারবেন চিন্তার কোন কারণ নাই. আর সবশেষে সেই সকল ভাই দের কে অনুরোধ করব তারা অবৈধ অবস্থায় আছেন কথাও বসে না থেকে যদি আপনার পাসপোর্ট এ সেনজেন ভিসা থাকে তাহলে পর্তুগাল থেকে পেপারস তা বানিয়ে নিয়ে আসেন . স্টুডেন্ট ভিসায় ( যাদের পাসপোর্ট এ স্টুডেন্ট ভিসা D টাইপ )যারা পর্তুগালে আগে ২০১১ সালে আবেদন করেছে তারা কাগজ পেয়েছে কিন্তু ২০১২ সাল থেকে একটু সমসা করতেছে পর্তুগাল ইমিগ্রেশন . তবে আশাবাদী খুব শীগ্রই এই সমসার সমাধান হবে . আমার এই পোস্ট ধারা যদি কোন ভাই উপকৃত হয় তাহলে অনুরোধ করব এই পেইজটা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার .. যদি কোন কিছু জানার থাকে এই বেপারে তাহলে মেসাজ বা কমেন্টস করে জানাতে পারেন.
ধন্যবাদ .
ইউরোপের স্বপ্ন ও ইতালি নিয়ে কিছু কথা # যারা ইতালি আসতে চান তারা অবশ্যই পড়বেন পর্ব - ২
ইতালির স্বপ্ন আর বাস্তবতা ।
যারা ইতালিতে আসতে চান তাদের জন্য বিশেষ করে পোষ্টটা দেয়া । ইতালি সম্পর্কে ধারাবাহিক পর্বে আজ থাকছে ২ পর্ব । আগের পর্বটি যারা পড়েনি তারা এখান থেকে পড়ে নিবেন ।
কাজের সমস্যা , বৈধতা পাওয়ার অসুবিধা ইত্যাদি নানাবিদ সমস্যায় জর্জরিত ইতালি এখন আর আগের মত নেই । এই ভিডিওটা দেখে নিন সব কিছু জানতে পারবেন কি কি সমস্যা হচ্ছে বর্তমান ইতালিতে ।
ইতালির বিভিন্ন ধরনের রেসিডেন্ট পার্মিট - Types of Resident Permit in ITALY.
ইতালির বিভিন্ন ধরনের রেসিডেন্ট পার্মিট
ইতালিতে প্রত্যেক বছর বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশীর আগমন হয়। ইতালিতে আসার ভিসার মেয়াদ সাধারণত ৬ থেকে ১ বছর হয়ে থাকে । তাই ইতালিতে আসার পর পর ই তাকে রেসিডেন্ট পার্মিট এর আবেদন করতে হয় ইতালি ইম্মিগ্রেশনে। অনেকেই জানেন না ইতালিতে কত প্রকারের রেসিডেন্ট পার্মিট ইস্যু করা হয় । না জানার কারনে অনেকেই ধিধা দন্দে ভুগেন কিসের পার্মিট বা কোন ধরনের পার্মিট এর জন্য আবেদন করবেন। তাহলে জেনে নিন কোন ধনের রেসিডেন্ট পার্মিট আপনি আবেদন করতে পারবেন।
রেসিডেন্ট পার্মিট এর প্রকারভেদ -- Types of Resident Permit in Italy
আশা করি ইতালি তে আসতে ইচ্ছুক ভাই - বোনেরা কাজে আসবে । ধন্যবাদ ।
Wednesday, April 3, 2013
সুইডেনে কাজের পারমিটের বিষয়ে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য - Work Permit Visa in Sweden
সুইডেনে কাজের পারমিটের বিষয়ে -
যারা ইইউ-র নাগরিক না তাদের, অধিকাংশ পরিস্থিতিতে, সুইডেনে কাজ করার জন্য কাজের পারমিট থাকা দরকার৷ কাজের পারমিট পাওয়ার জন্য, কর্মচারী হিসাবে আপনি নিশ্চয় চাকরির আমন্ত্রণ পেয়েছেন৷ তাছাড়া, সুইডেনে আসার জন্য, আপনাকে নিশ্চয় একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়েছে ও বৈধ কাজের পারমিট নিয়ে নিতে হয়েছে৷ আপনি সুইডেনে এসে কাজের খোঁজ করার জন্য কাজের পারমিট পাবেন না৷
কাজের পারমিট জারি করার দায়িত্ব সুইডেনের মাইগ্রেশন বোর্ড অর্থাত্ অভিবাসন বোর্ডের
কাজের পারমিটের আবেদন করতে হলে, আপনার সুইডেনে এসে উপস্থিত হওয়ার আগেই তা করতে হবে৷ আপনি সুইডেনের অভিবাসন বোর্ড সুইডিশ মাইগ্রেশন বোর্ড বোরয়ার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজ করা ও বসবাস করার পারমিটের আবেদন পূরণ করে দিতে পারেন৷
সুইডেনে আসার জন্য যদি আপনার ভিসার প্রয়োজন হয় তাহলে সুইডেনের দূতাবাস বা কনসুলেটে আপনার কাজের পারমিটের আবেদনটি জমা করতে হবে৷
সুইডেনে কাজের পারমিট পেতে হলে কি কি প্রয়োজন?
কাজের পারমিট পাওয়ার জন্য এগুলি থাকা প্রয়োজন:
1. আপনার কাছে বৈধ পাসপোর্ট থাকা;
2. কাজ করার সময়টায় স্বাবলম্বী থাকা;
3. প্রতি মাসে কমপক্ষে 13,000 এসইকে উপার্জন করা (অনুগ্রহ করে পয়েন্ট 5 দেখুন) ;
4. আপনার নিয়োগকর্তা কমপক্ষে দশ দিন যাবত্ সুইডেনে ও ইইউ-তে কর্মনিযুক্তির বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন (নতুন কর্মনিযুক্তির ক্ষেত্রে);
5. সুইডেনের সম্মিলিত চুক্তি অনুসারে বা আপনার পেশা বা ইন্ডাস্ট্রিতে যা প্রথাগত রীতি সেইমত আপনার নিয়োগকর্তা আপনাকে চাকরির শর্তাদি জানাবেন (নিচে দেখুন), এবং
6. আপনার নিয়োগকর্তা আপনার ইন্ডাস্ট্রির শ্রম সংগঠনকে আপনার কর্মনিযুক্তির শর্তাদির বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করার সুযোগ দেবেন৷
সকলের জন্য সমান অধিকার!
আপনার কাছে যদি বৈধ কাজের পারমিট থাকে ও সুইডেনে সাময়িকভাবে কর্মরত থাকেন তাহলে সুইডেনের আইন ও নিয়মানুসার আপনি নিরাপত্তা পাবেন৷ অর্থাত্ পটভূমি বা রাষ্ট্রীয়তা নির্বিশেষে, সুইডেনে বসবাসকারী অ্ন্য সবার মত আপনার একই অধিকার পাবেন৷
এতে অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল কাজের পরিবেশ, ন্যূনতম বেতন এবং ছুটিতে বেতন, কাজের ঘন্টা, কর্মস্থলে বৈষম্য এবং মা বাবার ছুটি পাওয়ার অধিকার৷ এইসব বিষয় আইন, সম্মিলিত ও বেসরকারি নিযুক্তির চুক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যাকে “সুইডিশ মডেল” বলা হয়৷
প্রয়োগসাধ্য তথ্য -
নতুন দেশে এসে উপস্থিত হওয়ার পর অনেক কিছু নতুন ও অচেনা মনে হতে পারে৷ এখানে আপনি কয়েকটি প্রয়োগসাধ্য তথ্য পাবেন যা সুইডেনে কাজ করা ও বসবাস করা, এমনকি কাজ ছাড়া অন্যান্য বিষয়েও আপনার সহায়ক হবে৷ আরো তথ্য ও নির্দেশের জন্য এখানে তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট যথেষ্ট উপযোগী হতে পারে৷
Working in Sweden -
সুইডিশ মাইগ্রেশন বোর্ড এর ওয়েবসাইট
Moving to Sweden -
Moving in Sweden
Facts about Sweden – and 20 things you should know about Swedes before moving here -
http://www.sweden.se/eng/ Home/Lifestyle/Reading/ 20-things-to-know-before-mo ving-to-Sweden/
How to do things in Sweden -
http:// www.visitsweden.com/sweden/ Sweden-Facts/
Getting around in Sweden -
http:// www.visitsweden.com/sweden/ Travel-guide/ Getting-around-in-Sweden/
How to join the union as a restaurant worker (HRF) -
http://www.hrf.net/
How to join the employer organization as a restaurant owner (Visita) -
http://www.visita.se/ Visita/-About-Visita/
More information about the Swedish Work Environment Authority -
http://www.av.se/ languages/ ?AspxAutoDetectCookieSuppor t=1
SR International – Swedish news in different languages, including English, Arabic and Persian -
http://sverigesradio.se/ international/
যারা ইইউ-র নাগরিক না তাদের, অধিকাংশ পরিস্থিতিতে, সুইডেনে কাজ করার জন্য কাজের পারমিট থাকা দরকার৷ কাজের পারমিট পাওয়ার জন্য, কর্মচারী হিসাবে আপনি নিশ্চয় চাকরির আমন্ত্রণ পেয়েছেন৷ তাছাড়া, সুইডেনে আসার জন্য, আপনাকে নিশ্চয় একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়েছে ও বৈধ কাজের পারমিট নিয়ে নিতে হয়েছে৷ আপনি সুইডেনে এসে কাজের খোঁজ করার জন্য কাজের পারমিট পাবেন না৷
কাজের পারমিট জারি করার দায়িত্ব সুইডেনের মাইগ্রেশন বোর্ড অর্থাত্ অভিবাসন বোর্ডের
কাজের পারমিটের আবেদন করতে হলে, আপনার সুইডেনে এসে উপস্থিত হওয়ার আগেই তা করতে হবে৷ আপনি সুইডেনের অভিবাসন বোর্ড সুইডিশ মাইগ্রেশন বোর্ড বোরয়ার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজ করা ও বসবাস করার পারমিটের আবেদন পূরণ করে দিতে পারেন৷
সুইডেনে আসার জন্য যদি আপনার ভিসার প্রয়োজন হয় তাহলে সুইডেনের দূতাবাস বা কনসুলেটে আপনার কাজের পারমিটের আবেদনটি জমা করতে হবে৷
সুইডেনে কাজের পারমিট পেতে হলে কি কি প্রয়োজন?
কাজের পারমিট পাওয়ার জন্য এগুলি থাকা প্রয়োজন:
1. আপনার কাছে বৈধ পাসপোর্ট থাকা;
2. কাজ করার সময়টায় স্বাবলম্বী থাকা;
3. প্রতি মাসে কমপক্ষে 13,000 এসইকে উপার্জন করা (অনুগ্রহ করে পয়েন্ট 5 দেখুন) ;
4. আপনার নিয়োগকর্তা কমপক্ষে দশ দিন যাবত্ সুইডেনে ও ইইউ-তে কর্মনিযুক্তির বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন (নতুন কর্মনিযুক্তির ক্ষেত্রে);
5. সুইডেনের সম্মিলিত চুক্তি অনুসারে বা আপনার পেশা বা ইন্ডাস্ট্রিতে যা প্রথাগত রীতি সেইমত আপনার নিয়োগকর্তা আপনাকে চাকরির শর্তাদি জানাবেন (নিচে দেখুন), এবং
6. আপনার নিয়োগকর্তা আপনার ইন্ডাস্ট্রির শ্রম সংগঠনকে আপনার কর্মনিযুক্তির শর্তাদির বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করার সুযোগ দেবেন৷
সকলের জন্য সমান অধিকার!
আপনার কাছে যদি বৈধ কাজের পারমিট থাকে ও সুইডেনে সাময়িকভাবে কর্মরত থাকেন তাহলে সুইডেনের আইন ও নিয়মানুসার আপনি নিরাপত্তা পাবেন৷ অর্থাত্ পটভূমি বা রাষ্ট্রীয়তা নির্বিশেষে, সুইডেনে বসবাসকারী অ্ন্য সবার মত আপনার একই অধিকার পাবেন৷
এতে অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল কাজের পরিবেশ, ন্যূনতম বেতন এবং ছুটিতে বেতন, কাজের ঘন্টা, কর্মস্থলে বৈষম্য এবং মা বাবার ছুটি পাওয়ার অধিকার৷ এইসব বিষয় আইন, সম্মিলিত ও বেসরকারি নিযুক্তির চুক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যাকে “সুইডিশ মডেল” বলা হয়৷
প্রয়োগসাধ্য তথ্য -
নতুন দেশে এসে উপস্থিত হওয়ার পর অনেক কিছু নতুন ও অচেনা মনে হতে পারে৷ এখানে আপনি কয়েকটি প্রয়োগসাধ্য তথ্য পাবেন যা সুইডেনে কাজ করা ও বসবাস করা, এমনকি কাজ ছাড়া অন্যান্য বিষয়েও আপনার সহায়ক হবে৷ আরো তথ্য ও নির্দেশের জন্য এখানে তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট যথেষ্ট উপযোগী হতে পারে৷
Working in Sweden -
সুইডিশ মাইগ্রেশন বোর্ড এর ওয়েবসাইট
Moving to Sweden -
Moving in Sweden
Facts about Sweden – and 20 things you should know about Swedes before moving here -
http://www.sweden.se/eng/
How to do things in Sweden -
http://
Getting around in Sweden -
http://
How to join the union as a restaurant worker (HRF) -
http://www.hrf.net/
How to join the employer organization as a restaurant owner (Visita) -
http://www.visita.se/
More information about the Swedish Work Environment Authority -
http://www.av.se/
SR International – Swedish news in different languages, including English, Arabic and Persian -
http://sverigesradio.se/
Saturday, March 30, 2013
European citizenship laws 27 Members states.
Summary of 27 European member states' nationality laws
EU member states use a common passport design, burgundy coloured with the name of the member state, Coat of Arms and the title "European Union" (and/or its translation).
| Member State | Acquisition by birth | Acquisition by descent | Acquisition by marriage | Acquisition by naturalisation | Multiple nationality permitted | |
|---|---|---|---|---|---|---|
Persons born in Austria who:
|
|
| No | |||
Persons born in Belgium who:
|
Belgian nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
| Yes—after 3 years cohabitation in Belgium |
| Yes | ||
Persons born in Bulgaria who:
|
Bulgarian nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
Conditions [show]
| No |
| Yes | ||
Persons born in Cyprus who:
|
|
| Yes | |||
Persons born in the Czech Republic:
| No |
|
No (unless the non-Czech citizenship is obtained by birth or by marriage)
| |||
Persons born in Denmark who:
| Danish nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
| No[28] | ||
Persons born in Estonia who:
|
No (unless married to an Estonian citizen before 26 February 1992)
|
|
No (although Estonian citizens by descent cannot be deprived of their Estonian citizenship)
| |||
Persons born in Finland who:
|
Finnish nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
Conditions [show]
|
|
| Yes | ||
|
French nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
| Yes | ||
Persons born in Germany, if at least one parent has resided in Germany for at least 8 years and holds a permanent residence permit
| German nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
|
No, unless:
Conditions [show]
| ||
Persons born in Greece who:
|
Greek nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
| Yes | ||
Persons born in Hungary who:
|
Conditions [show]
| After 3 years | After 8 years and meeting conditions of good character | Yes | ||
Persons born in Ireland who:
|
Irish nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
| Yes | ||||
Persons born in Italy who:
|
Italian nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
Conditions [show]
|
|
| Yes | ||
Persons born in Latvia who:
|
Latvian nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
No, unless:
Also, recently Latvian Saeima is working on the new Citizenship Law that will allow dual citizenship.
| |||
Persons born in Lithuania who:
|
Lithuanian nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
| No | |||
Persons born in Luxembourg who:
| No |
| Yes | |||
Persons born in Malta who:
|
Maltese nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
| |||||
Persons born in Netherlands who:
|
Dutch nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
| After 5 years uninterrupted residence, with continuous registration in the municipal register | Under certain conditions: e.g. foreign citizenship may be kept in the event of naturalization via marriage. | ||
Persons born in Poland who:
|
Polish nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
Conditions [show]
| Yes |
| Yes but in Poland, Polish identification must be used and the dual citizen is treated legally as only Polish | ||
Persons born in Portugal who:
|
Portuguese nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
| Yes | ||
Persons born in Romania who:
|
Romanian nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
Conditions [show]
|
|
| Yes[30] | ||
Persons born in Slovakia who:
|
Slovak nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
| No | ||
Persons born in Slovenia who:
|
Slovenian nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
| |||||
Persons born in Spain who:
|
|
|
|
| ||
Persons born in Sweden who:
|
Swedish nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
Conditions [show]
|
|
| Yes | ||
Persons born in United Kingdom who:
|
British nationality is acquired by descent under one of the following conditions:
|
|
| Yes | ||
Subscribe to:
Posts (Atom)






