Blogger WidgetsPrint Blogger Widgets
Showing posts with label Documents - ডকুমেন্টস. Show all posts
Showing posts with label Documents - ডকুমেন্টস. Show all posts

Monday, April 22, 2013

কোন দেশে কত টাকার ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টস লাগবে ইউরোপে পড়াশুনা করতে ??




কোন দেশে কত টাকার ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টস লাগবে ইউরোপে পড়াশুনা করতে ??


ইউরোপের উচ্চশিক্ষার একটি অবিছেদ্য শর্ত হলো আপনি আর্থিক সাবলম্বী কি না .আপনি আপনার পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবেন কি না. ভিসা আবেদনের আগে আপনাকে একটা নির্দিষ্ট পরিমান টাকার ব্যাঙ্ক সলভেনসি সার্টিফিকেট দেখাতে হবে যা আপনার প্রমান দেবে আপনি ইউরোপ আসার পর পড়াশুনার খরচ বা থাকা খাওয়ার খরচ বহন করতে সক্ষম হবেন . আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হল কোন দেশের জন্য কি পরিমান টাকার ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে স্টুডেন্ট কাউনসিলরকে বা এম্বেসী তে . কোন দেশের ক্ষেত্রে ব্লক একাউন্ট দেখাতে হবে ? ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট তা মূলত এক বছরের থাকা খাওয়ার জন্য ওই দেশের Living expenses এর ১২ মাসের সমপরিমাণ টাকা দেখাতে হয় . যেমন দরুন জার্মানিতে এক মাসে ৬৭০ ইউরো খরচ হয় সেই ক্ষেত্রে আপনাকে ১২*৬৭০ =৮০৪০ ইউরো এক বছরে দেখাতে . দেশে ভেদে কেমন হবে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট তার উপর একটা সংক্ষিত বর্ণনা আমি দিচ্ছি । আশা করি ইউরোপে পড়তে ইচ্ছুক ভাই - বোনদের কাজে আসবে

প্রথমে বলে নেই ব্লক একাউন্ট এর বেপারে . ব্লক একাউন্ট সম্পর্কে অনেকের ধারণা না ও থাকতে পারে . ব্লক একাউন্ট হচ্ছে নরমালি একটি ব্যাঙ্ক একাউন্ট যেই একাউন্ট থেকে আপনি চাইলেও নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ছাড়া সব টাকা একত্রে তুলতে পারবেন না . আর বিশেষ ক্ষেত্রে সম্পুর্ন টাকা ব্লক করা হতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার ভিসার প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে . ইউনিভার্সিটি থেকে কনফার্ম admission letter পাওয়ার পর সাধারণত এই ব্লক একাউন্ট করতে বলা হয় . এম্বেসীতে ভিসা আবেদনের পারবেন সম্পুন টাকা ব্লক করতে ( ইমিগ্রেশন রুলস অনুযায়ী ) ভিসা নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশের ব্যাঙ্ক থেকে ব্লক একাউন্ট এর টাকা গুলো ওই দেশের ব্যাঙ্ক একাউন্ট এ ট্রান্সফার করতে হবে . যে খানে আপনি পড়াশুনা করতে আবেদন করেছেন . টাকা ট্রান্সফার এর বেপারে এম্বেসী ও ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল অফিস আপনাকে সাহায্য করবে . টেনশন করার কোন কারণ নাই.

কোন কোন দেশে ব্লক একাউন্ট দেখাতে হবে ?

১#জার্মানি এর ক্ষেত্রে ব্লক একাউন্ট দেখাতে হবে . টাকার পরিমান ৮০৪০ ইউরো . বাংলাদেশী টাকায়

৮ লক্ষ ৪ হাজার প্রায় .( কম বেশি হতে পারে দর অনুযায়ী )

২# নরওয়ে এর ক্ষেত্রে ব্লক একাউন্ট দেখাতে হবে . টাকার পরিমান ৯২০০০ নরওয়েজিয়ান
ক্রোনা=১২৫০০ ইউরো = ১৩ লক্ষ টাকা .


#ব্রিটেন এর ক্ষেত্রে ১০০০০ পাউন্ড.= ১২ লক্ষ টাকা 
#সুইডেনের ক্ষেত্রে ৮৭৫০০ সুইডিশ ক্রোনা =১০.৫ লক্ষ টাকা .
#ফিন্লান্ডের ক্ষেত্রে ৬৭২০ ইউরো ( বেশি দেখাতে পারলে সমসা নাই )
#আয়ারল্যান্ড এর ক্ষেত্রে ৮০০০ ইউরো = ৮ লক্ষ টাকা .
#অস্ট্রিয়া এর ক্ষেত্রে ৬৫০০ ইউরো = ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা
#পোল্যান্ড ৫৫০০ USD . ৪ লক্ষ টাকা প্রায় .
# লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, এস্তোনিয়া ৪৫০০-৫০০০ ইউরো = ৪.৫ -৫.০ লক্ষ টাকা .
#ইতালির ক্ষেত্রে ৭ লক্ষ টাকা .
# বেলজিয়াম + নেদারল্যান্ড এর ক্ষেত্রে ৭৫০০ ইউরো =৭.৫ লক্ষ টাকা .
# পর্তুগালের জন্য ৫০০০ ইউরো =৫ লক্ষ টাকা .
#স্পেন এর ক্ষেত্রে ৬ লক্ষ .
# রোমানিয়া , বুলগেরিয়া এর ক্ষেত্রে ৪ লক্ষ টাকা .
# সাইপ্রাস এর ক্ষেত্রে ৫০০০ ইউরো = ৫ লক্ষ টাকা .

আরো যদি কোন দেশের ব্যাপারে কারো আগ্রহ থাকে তাহলে আমাদেরকে লিখতে পারেন. কোন বিষয়ে কোন ভুল ভ্রান্ত্রি  থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন . সর্বদা আমাদের আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইবুক পেইজে ।

ধন্যবাদ সবাইকে . অ্যাডমিন

Thursday, April 11, 2013

IELTS নিয়ে খুঁটিনাটি - যাদের টার্গেট ভাল ব্যান্ড স্কোর তারা এই পোষ্টটি পড়ুন !!


                                                                                                                                                         IELTS 

ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পরীক্ষা IELTS। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা বা কাজ করতে যেতে চান, তাদের জন্য ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা প্রমাণের জন্য IELTS পরীক্ষা দিতে পারেন । এতে করে আপনার কাজ পেতে অথবা পড়াশোনার ব্যাপারে অনেক কাজে লাগবে । আপানর নিজের যেমন দক্ষতা বাড়বে তেমনি আপনি নিজে ও নিজের চাহিদা মত যে কোন যায়গায় উচ্চশিক্ষার জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারবেন । তো এই বিষয়ে বিস্তারিত বলার কিছু নাই । অনেক ব্লগার ভাইরা  এই বিষয় নিয়ে লিখেছেন।

তাই এই বিষয়ে আজ কিছু বই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম । আপনার কাজে লাগলে ও লাগতে পারে .............

PRATICE TESTS FOR IELTS ::

T1 http://www.mediafire.com/?n4mnromy4nq
T2 http://www.mediafire.com/?mxyhkqlyylq
T3 http://www.mediafire.com/?uhhohmmjmyj
T4 http://www.mediafire.com/?cimymkguizm
T5 http://www.mediafire.com/?wtziwqjnobo
T6 http://www.mediafire.com/?m4ytim4wuuk
T7 http://www.mediafire.com/?mqeayjmwdjl
T8 http://www.mediafire.com/?w15lzmmzm4w
T9 http://www.mediafire.com/?mtni4mmnnzm
T10 http://www.mediafire.com/?lyqmznyr2mw
KEY http://www.mediafire.com/?wmdwmciy2zn 


101 USEFUL EXERCISE ::

লিংক :: http://www.mediafire.com/?om2yl3gev52 

202 USEFUL EXERCISE ::

লিংক :: http://www.mediafire.com/?zowtkrxninf 

CAMBRIDGE PRATICE TESTS 1 ::

লিংক :: http://www.mediafire.com/?lzmta2mziwz 

CAMBRIDGE PRATICE TESTS 2

লিংক :: http://www.mediafire.com/?nqqgfzitjy4

BARRON’ IELTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?td424j2ufto

CAMBRIDGE PRATICE TESTS 3

লিংক :: http://www.mediafire.com/?wmghzqzmoeg

CAMBRIDGE PRATICE TESTS 4

লিংক :: http://www.mediafire.com/?qj15md2gewl

CAMBRIDGE PRATICE TESTS 5

লিংক :: http://www.mediafire.com/?om3zzttygrz

CAMBRIDGE PRATICE TESTS 6

লিংক :: http://www.mediafire.com/?udd5nw0zlhw

IELTS PRATICE TESTS PLUS 2

লিংক :: http://www.mediafire.com/?4m4mjdontjm

STEP UP TO IELTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?2m34xz2yyge

DE THI VIET CUA IELTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?uzcm1mztgnt

FOCUS ON IELTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?th2mddujzmx

IELTS FOUNDATION

লিংক :: http://www.mediafire.com/?hntqgmizgiq

IELTS ON TRACK

লিংক :: http://www.mediafire.com/?n2ihmyfujd2

PASSPORT TO IELTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?jtd3kl3myby

IELTS SURE SUCCESS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?44on54i4qmg

IELTS WRITING

লিংক :: http://www.mediafire.com/?wmz1h0uv1ew

IELTS HANDBOOK

লিংক :: http://www.mediafire.com/?y00dzjkrfi5

IELTS SERECTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?m4jmmdm5ytd

IELTS SPEAKING TOPICS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?mgouinzqytw

OXFORD IELTS BOOK

লিংক :: http://www.mediafire.com/?amnolymq33m

ACADEMIC IELTS READING

লিংক :: http://www.mediafire.com/?oznzm2fnm0m

CHECK VOCABULARY FOR IELTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?ymymftn2fnw

SPECIMEN MATERIALS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?d3zu3qtimuy

IELTS PRATICE TESTS PLUS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?ontlz25loqz

INSIGHT INTO IELTS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?nnvhnomngt5

INSIGHT INTO IELTS EXTRA

লিংক :: http://www.mediafire.com/?ukmjz02zu12

HOW TO PREPARE FOR IELTS _SPEAKING

লিংক :: http://www.mediafire.com/?tmjmjewmmim

IELTS FULL ADVICE DETAILS

লিংক :: http://www.mediafire.com/?m4yzmkmniem

IELTS PREPARATION AND PRACTICE ACADEMIC_WRITING

লিংক :: http://www.mediafire.com/?mmrmhl2z2l1

IELTS SPEAKING REAL TEST

লিংক :: http://www.mediafire.com/?jav2ty2ddxt

IELTS WRITING AND SPEAKING EXAMPLES

লিংক :: http://www.mediafire.com/?ne1m5eznt4j

IELTS PREPARATION AND PRACTICE _READING

লিংক :: http://www.mediafire.com/?gdrmmfqcgte

Password :::www.namln.com 

If you see error when join and extract, right click at file, choose Extract Files..., then check at Keep broken files then OK ।


আশা করি IELTS এর ব্যাপারে এই জিনিস গুলো অনেক কাজে আসবে । যদি কারো আরও কোন ধরনের ই-বুক দরকার হয় তাহলে আমাদের কে জানাতে পারেন নাম সহ । চেষ্টা করব আপনাদের জন্য মেনেজ করার জন্য । আপডেট পেতে নজর রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে । ধন্যবাদ । 

২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট

                                                                          ই-পাসপোর্ট 

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) বদলে ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালুর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে আগামী দু’বছরের মধ্যে অর্থাৎ ২০১৫ সালের মধ্যেই এটি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এনিয়ে আগামী ১৬ই এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বসছে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের সভা। ওই সভায় এমআরপি’র বদলে ই-পাসপোর্ট প্রচলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা সভার প্রধান আলোচ্যসূচিতে থাকছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার গাইড লাইন অনুসারে ২০১০ সাল থেকে এ দেশে এমআরপি কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ওই কার্যক্রমের আওতায় বর্তমানে দেশে ও বিদেশে অবস্থিত বিভিন্ন বাংলাদেশ মিশনগুলোতে এমআরপি ইস্যু করা হচ্ছে। বাংলাদেশের নাগরিকরা এমআরপি নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বিদেশ ভ্রমণ করতে পারছেন। বর্তমানে চালু থাকা এমআরপি বুকলেটের কভার পৃষ্ঠা ২৯০ মাইক্রোন কাগজ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া, ভেতরের পৃষ্ঠার পুরুত্ব ১০৫ মাইক্রোন। একই সঙ্গে রেড ভিজিবল সিকিউরিটি ফাইবার, দুই স্তরবিশিষ্ট বাইন্ডিং সুতার স্তর এবং ৩৮টি সিকিউরিটি ফিচার ব্যবহার করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কম্পিউটারে সাপোর্ট করে এমন কোন চিপ থাকবে ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্টে। চিপের পাশাপাশি কাগজের অংশও থাকবে। কম্পিউটারে পাঞ্চ করে পড়া যায় এমন চিপের মধ্যে ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ সবকিছুই থাকবে।


ই-পাসপোর্ট -
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) বদলে ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালুর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে আগামী দু’বছরের মধ্যে অর্থাৎ ২০১৫ সালের মধ্যেই এটি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এনিয়ে আগামী ১৬ই এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বসছে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের সভা। ওই সভায় এমআরপি’র বদলে ই-পাসপোর্ট প্রচলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা সভার প্রধান আলোচ্যসূচিতে থাকছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার গাইড লাইন অনুসারে ২০১০ সাল থেকে এ দেশে এমআরপি কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ওই কার্যক্রমের আওতায় বর্তমানে দেশে ও বিদেশে অবস্থিত বিভিন্ন বাংলাদেশ মিশনগুলোতে এমআরপি ইস্যু করা হচ্ছে। বাংলাদেশের নাগরিকরা এমআরপি নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বিদেশ ভ্রমণ করতে পারছেন। বর্তমানে চালু থাকা এমআরপি বুকলেটের কভার পৃষ্ঠা ২৯০ মাইক্রোন কাগজ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া, ভেতরের পৃষ্ঠার পুরুত্ব ১০৫ মাইক্রোন। একই সঙ্গে রেড ভিজিবল সিকিউরিটি ফাইবার, দুই স্তরবিশিষ্ট বাইন্ডিং সুতার স্তর এবং ৩৮টি সিকিউরিটি ফিচার ব্যবহার করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কম্পিউটারে সাপোর্ট করে এমন কোন চিপ থাকবে ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্টে। চিপের পাশাপাশি কাগজের অংশও থাকবে। কম্পিউটারে পাঞ্চ করে পড়া যায় এমন চিপের মধ্যে ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ সবকিছুই থাকবে।













Wednesday, April 10, 2013

জার্মানির ব্লক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কিছু কথা ! কিভাবে আপনি ব্যাংক জার্মানির ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাবেন ?


Geld, Bild: Wenzel/DAAD

8,040 Euro for one year

Before you get the permission to study in Germany, you have to proof that you can finance it properly. There are different options for that. We give you an overview of the most popular ones.
You need it, to pay your rent, to go shopping and to party: money. Before you begin your studies, you will have to show how you intend to finance your stay. You must provide what is called a “Finanzierungsnachweis” or “proof of financial resources”. In most cases, you are required to include this document with your visa application. At the latest, you will need it when you apply for a residence permit.
At present, foreign students must prove they have at least 8,040 euro per year at their disposal (about 670 euro per month). Proof of financial resources can be provided in various ways. The following forms are generally accepted:
1. Your parents submit documents certifying their income and financial assets.
2. A resident in Germany provides the Aliens’ Registration Office a guarantee to cover your expenses.
3. You submit a bank guarantee.
4. You receive a scholarship from a recognised scholarship provider.
5. A security payment is deposited into a blocked account.

Be sure to enquire at the German embassy in your country as to which form of financial proof is required.
Please note: International students are only allowed to work in Germany under certain conditions. A part-time job may supplement your budget, but it almost certainly won’t be able to cover all your living expenses.

Tips for a blocked account

Many international students from Non-EU countries prefer to open a blocked account as proof of their financial resources. It's called blocked account because the money you transfer to it, is blocked till the day you've arrived in Germany.
Opening your own blocked account isn't that difficult. There are only a few things you should keep in mind in order to make it work:

1. File for it early enough

For example the Deutsche Bank needs about a week to set up your blocked account. At the beginning of a semester it might take even longer. Therefore please request the application forms in time and send an email to db.student@db.com asking for these documents.

2. Get your documents certified

Fill out the forms completely, copy your passport and get them certified by the general consulate or German Embassy in your country. Now you can send them to the Deutsche Bank. Please note: Don't email or fax them because the bank accepts the originals only.
Deutsche Bank Privat und Geschäftskunden AG
Service Center Hamburg / Ausländische Studenten
Alter Wall 53
20457 Hamburg
Deutschland/Germany

3. Open an account

After the bank has received your complete documents, it will set up your blocked account. That costs you 50 euro once but same time safes you precious time.

4. Getting money

Once you've arrived in Germany you should make an appointment with the bank's branch office in your city. There you'll get your EC-card, which allows you to withdraw money and also your login data for online banking.                                                                                                                          

তারপরও যদি আপনার কোন জানার থাকে তাহলে আমাদের কে লিখতে পারে ফেইসবুক পেইজে । 

Tuesday, April 9, 2013

কীভাবে অনলাইনে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করবেন ? How to apply for Bangladeshi Passport online ?


How to apply for Bangladeshi Passport online 


 পাসপোর্টের এর জন্য আবেদন করতে আমাদের দিনের পর দিন লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকতে হয়। তারপর আছে দালালের খপ্পর। কত না ভোগান্তি পোহাতে হয় আমাদের এই পাসপোর্ট আবেদন এর জন্য। তাই এখন খুব সহজেই অনলাইন এ পাসপোর্ট এর আবেদন পদ্ধতি চালু হয়েছে। তাই বন্ধুরা এত কথা না বারিয়ে কিভাবে অনলাইন এ আবেদন করতে হয় তার পদ্ধতি গুলু আপনাদের কে বলে দিচ্ছি।
১। প্রথমে আপনাকে http://www.passport.gov.bd সাইট এ প্রবেশ করতে হবে।
তারপর দেখবেন যে হোমপেইজ এ অনেক প্রয়োজনীয় শর্তাবলি দেওয়া আছে। আপনারা এই শর্তাবলি গুলু ভাল করে পরে নিবেন।তারপর দেখবেন যে নিচের দিকে I have read the above information and the relevant guidance notes –এর বামপাশের ঘরে টিক চিহ্ন দিয়ে continue to online enrolment এ ক্লিক করতে হবে।
২। নতুন একটি পেইজ এ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য চাইবে। প্রথমে applying in – এর পাশের ঘরে আপনি কোন দেশ থেকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন সেটি নির্বাচন করে দিতে হবে। এরপর পাসপোর্টের এর ধরন যেমন অরডিনারি,ডিপ্লোম্যাটিক বা অফিসিয়াল এবং delivery type – এর ঘরে পাসপোর্টটি রেগুলার নাকি এক্সপ্রেস সেটি নির্বাচন করে দিতে হবে।
৩।Personal Information সেকশন এ আবেদনকারীর কিছু তথ্য দিতে হবে। Citizenship information সেকশনে জাতীয়তা, জাতীয়তার ধরন ও এক বা একাদিক নাগরিকত্ব রয়েছে কিনা সেটি উল্লেখ করতে হবে।একেবারে নিচের দিকে পোষ্ট অফিস,থানা ও জেলা সহকারে বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা প্রবেশ করাতে হবে। তথ্যগুলো ভালোভাবে দেখে পরবর্তী পেইজ এ যাওয়ার আগে save & next বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
৪। পরবর্তী পেইজ এ Application id or application form number দেওয়া হবে। এটি সংরক্ষন করতে হবে। এছাড়া নিচের দিকে Applicant Contact information সেকশনে অফিস, বাসা বা আবেদনকারীর নিজের ফোন নাম্বার দিতে হবে।এর নিচে emergency contact person’s details সেকশন এ পরিচিত একজনের নাম ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
৫। নিচের দিকে passport information সেকশন এ আবেদনকারীর আগে কোন পাসপোর্ট থাকলে তার তথ্য প্রদান করতে হবে। payment information সেকশনে পাসপোর্ট আবেদন চার্জ প্রদান এর প্রয়োজনীয় তথ্য চাইবে। এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এ জমা দেওয়া টাকার পরিমান ও রশিদ নাম্বার দিতে হবে।Foreign Mission –এর ঘরে আবেদনকারী কি জন্য বিদেশ ভ্রমন করবেন তার উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে হবে।সব শেষে save & next বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
৬। পরবর্তী পেইজ এ আবেদনকারীর পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্রটি প্রদর্শিত হবে। শেষবারের মত সব ঠিক আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। সঠিক থাকলে নিচের দিকে save বাটন এ ক্লিক করতে হবে। চূড়ান্ত আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে নিতে হবে।এ ছাড়া ই-মেইল দেওয়া আবেদনপত্রের নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে পরে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা যাবে। প্রিন্ট করা আবেদনপত্রটি সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস এ আবেদন ডেস্কে আবেদন চার্জ সহ জমা দিতে হবে।একই সঙ্গে আঙ্গুলের ছাপটি দিয়ে আসতে হবে।
পরামর্শঃ
পাসপোর্ট এর ফরম টি এবং ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর ফটোকপি(যদি থাকে) সত্যায়িত করে সরাসরি আগারগাও পাসপোর্ট অফিস এর ৮ তলাই ৮০৪ নাম্বার রুমে চলে যাবেন।সেখান থেকে ফরম টি ভেরিফাই করে নিন এবং স্বাক্ষর সহ আপনাকে একটি সিরিয়াল নাম্বার দিবে।
এবার যেতে হবে পাশের অফিস এর তিন তলাই ৩১০ নাম্বার রুমে।যতই বির থাকুক না কেন আপনি সরাসরি উপ-কমিশনার এর রুমে চলে যাবেন।কারন অনলাইন আবেদন এর জন্য লাইন দরতে হয় না।এখানে ভেরিফিকেসন করার পরে আপনাকে যেতে হবে পাশের অফিস এ ছবি তুলার জন্য।
ছবি তুলার জন্য যেতে হবে ১৯ নং কাউন্টার এ।মনে রাখবেন এখানে শুধু অনলাইন এর সার্ভিস দেওয়া হয়।এখানে ফরম টি জমা দিলে এখানের অফিসার আপনার ছবি তুলে আপনার আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে আপনার ফরম টা রেখে দিবে এবং আপনাকে একটা রশিদ ধরিয়ে দিবে।এই রশিদ টা ভাল করে দেখে নিবেন।
আপনার অনলাইন আবেদন এখানেই শেষ হল।
মনে রাখুনঃ
  • যতই লম্বা লাইন থাকুক না কেন অনলাইন আবেদন এর জন্য কোন লাইন এর দরকার নাই।
  • অবশ্যয়ই বাসা থেকে সব কাগজ এবং সত্যায়িত ছবি সংগে করে নিয়ে আসবেন।
  • সাদা কাপর পরে ছবি তুলা যাবেনা। 
গুরত্ত পূর্ণ তথ্য হলে সবার সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিন  । আর যারা প্রবাসে থাকেন তারা ও একই প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে সেই ক্ষেত্রে আপনাকে  এমব্যাসি তে গিয়ে ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রদান করতে হবে । তবে মনে রাখবেন এমব্যাসি থেকে ১ মাস আগে কবে ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে যাবেন তার তারিখ আগেই ফোন করে নিয়ে নিবেন । ধন্যবাদ । 


Sunday, April 7, 2013

ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা - STUDY IN FINLAND


                                                                                    STUDY IN FINLAND




ফিনল্যান্ডে প্রতিবছর আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী ব্যাচেলর, মাস্টার্স অথবা পিএইচডি করার উদ্দেশ্যে এসে থাকে। তবে তাদের বেশিরভাগই ব্যাচেলর প্রোগ্রামে। বিশেষ করে এখানে কোন ধরনের টিউশন ফি না থাকার দরুন অনেকেই এই সুযোগটি নেওয়ার চেষ্টা করে। এর আগে অবশ্য ফিনল্যান্ডে পড়াশুনা করার কয়েকটি ভাল দিক নিয়ে লিখেছিলাম। এর মানে এটা নয় যে এখানে কোন সমস্যা নেই। পড়ালেখার জন্য আসা একজন শিক্ষার্থী এখানে আসার পর কিছু কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। তবে বাংলাদেশের দৃষ্টিকোন থেকে খারাপ দিকগুলো অতটা ভয়াবহ মনে না হওয়ায় ফিনল্যান্ডে পড়াশুনা করার কিছু দরকারী তথ্য বিদেশে লেখাপড়া করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জানাতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আজকে অবশ্য অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটিগুলোতে ব্যাচেলর প্রোগ্রামে ভর্তির ব্যাপারে মোটামুটি বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা পোষন করছি। তবে এখান থেকে উপকৃত হতে পারেন যারা মাস্টার্স অথবা পিএইচডি করতে ইচ্ছুক তারাও।

বিষয় নির্বাচন
ফিনল্যান্ডে ২৭ টি অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস (Applied Sciences) এবং ১৬টি জেনারেল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। জেনারেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাচেলর ডিগ্রীর দু একটি প্রোগ্রাম ইংরেজীতে থাকায় এবং ভর্তি প্রক্রিয়া কঠিন বিধায় ভিনদেশী ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি হওয়ার সুযোগ একেবারেই কম। তবে কেউ যদি ফিনিশ (Finnish) ভাষায় পারদর্শী হয় তার জন্য অবশ্য প্রচুর সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটিগুলোতে ফিনিশ ভাষার পাশাপাশি ইংরেজী ভাষায়ও বেশ কয়েকটি ব্যাচেলর প্রোগ্রাম রয়েছে। ব্যাচেলর ডিগ্রীর উল্লেখযোগ্য কয়েকট প্রোগ্রাম হচ্ছে হিউম্যান এ্যাজিং এন্ড এল্ডার্লি সার্ভিস (Human Ageing & Elderly Service),ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস (International Business), প্লাস্টিক টেকনোলজি (Plastic Technology), ইনফরমেশন টেকনোলজি (Information Technology), এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (Environmental Engineering), নার্সিং (Nursing), সোস্যাল সার্ভিস (Social Services), টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (Tourism & Hospitality Management), বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি (Business Information Technology) এবং ইলেকট্রোনিক্স (Electronics)।

বিশ্ববিদ্যালয়
২৭ টি অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির মধ্যে ২৪ টিতে একাডেমিক লেখাপড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তন্মধ্যে ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানী হেলসিংকি এলাকায় অবস্থিত। সেগুলো হল আরকাডা (Arcada UAS), হাগা-হেলিয়া (Haaga-Helia UAS), হেলসিংকি মেট্রোপোলিয়া (Helsinki Metropolia UAS),ডায়াকনিয়া (Diaconia UAS) এবং লাউরিয়া ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস (Laurea UAS)। রাজধানী এলাকার বাইরে কাজকর্মের সুযোগ সুবিধা অনেক কম থাকায় সবারই লক্ষ্য থাকে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়া। অনেকে বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে আসলেও পরবর্তীতে এক বা দুই সেমিস্টার পরে বৃহত্তর হেলসিংকির দিকে চলে আসে। প্রতি বছর বেশ কয়েকটি ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়। হেলসিংকি অঞ্চলের মধ্যে যে ইউনিভার্সিটিগুলো বাংলাদেশে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করবে ইউনিভার্সিটি পছন্দ করার ক্ষেত্রে ষেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন হতে পারে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে http://www.admissions.fi/ তে গিয়ে Degree Programmes এ অথবা admissions offices এ ক্লিক করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে। কোন রকম সমস্যা দেখা দিলে এখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সংগ্রহ করে গুগলে (Google) অনুসন্ধান করলে সহজে পাওয়া যেতে পারে।


ভর্তি প্রক্রিয়া
প্রতি বছর ফিনল্যান্ডের অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটিগুলোতে Autumn (আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর) এবং Spring (জানুয়ারী থেকে মে) সেমিস্টারে ব্যাচেলর ডিগ্রীতে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়। ২০১১ সালের Autmn সেমিস্টারে ভর্তির আবেদনপত্র গ্রহন করা হবে আগামী বছর ৩ জানুয়ারী থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। ২০১২ সালের Spring সেমিস্টারে আবেদনের সময়সীমা ২০১১ সালের ২৯ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা http://www.admissions.fi/ তে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। মনে রাখতে হবে অনলাইনে আবেদনের পাশাপাশি এইসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদপত্র (অবশ্যই ইংরেজীতে), ইংরেজী ভাষার যোগ্যতার (আইইএলটিএস বা টোফেল)সনদপত্রের ফটোকপি (স্ক্যানিং কপি গ্রহনযোগ্য নয়) ২৪ শে ফেব্রুয়ারীর মধ্যে পছন্দের তালিকার প্রথম ইউনিভার্সিটিতে ডাকযোগে অথবা হাতে হাতে পাঠাতে হবে। আবেদনপত্র যাচাই বাছাই শেষে Autumn সেমিস্টারের জন্য যাদের আবেদন গ্রহন করা হবে তাদেরকে ৪ এপ্রিল থেকে ৫ মের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষার জন্য আমন্ত্রন জানানো হবে। ভর্তি পরীক্ষায় সাধারনত সাধারন গনিত, আই কিউ (IQ), অ্যানালিটিক্যাল কোয়েশ্চেন (Analytical Question) এবং বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন থাকে। ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল মে মাসের ৩০ তারিখে প্রকাশিত হবে এবং ফলাফল জুন মাসের প্রথম দিকে আবেদনকারীর যোগাযোগের ঠিকানায় পাঠানো হতে পারে। কোন কোন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও ফলাফল পাওয়া যায়। ফলাফলের সাথে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভর্তির জন্য Invitation letter ও Confirmation letter সংযুক্ত করা হয়। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য প্রাপ্ত Confirmation letter পূরণ করে অবশ্যই ২ আগস্টের মধ্যে স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডাকযোগে অথবা হাতে হাতে পাঠেতে হবে। অন্যথায় ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে না।

বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ই Autumn সেমিস্টারের জন্য বাংলাদেশে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করে। তাই Autumn সেমিস্টারের জন্য প্রয়োজনীয় তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভর্তি প্রক্রিয়ার মধ্যে কোন তারতম্য নেই। ঢাকার বৃটিশ কাউন্সিল ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করে। বৃটিশ কাউন্সিল নির্ধরিত রেজিষ্ট্রেশন ফি প্রদান সাপেক্ষে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ দুইটি বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে। উল্লেখ্য ফিনল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোন ধরনের ফি দিতে হয় না। ভর্তি পরীক্ষার আমন্ত্রন পত্র পেলে পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যের জন্য ঢাকাস্থ বৃটিশ কাউন্সেলে (British Council) যোগাযোগ করা যেতে পারে।

ভর্তি যোগ্যতা
অ্যাপ্লাইড সায়েন্স ইউনিভার্সিটিতে ব্যাচেলর প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য টোফেল (TOEFL) এ ৫৫০ স্কোর অথবা আইইএলটিএস (IELTS) এ কমপক্ষে ৬.০ স্কোরসহ এইসএসসি (HSC), এ-লেবেল (A-Level), আলীম বা এর সমমান ডিগ্রীধারী যেকোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে। ফিনল্যান্ডে ব্যাচেলর বা মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য বয়স কোন বাধা নয়।

ফিনল্যান্ডের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিনিশ বা সুইডিশ ভাষায় পড়াশোনা করানো হয়। তবে ইংরেজি ভাষায়ও পড়াশোনা করা যায়। ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে হলে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স উভয় প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে IELTS-এ ৫.৫ থেকে ৬.০ পেতে হবে অথবা TOEFL-এর CBT তে ১৭৩—২১৩ পয়েন্ট বা IBT তে ৬১—৮০ পয়েন্ট হতে হবে। অথবা সিএই বা সিপিইতে (ইউনির্ভাসিটি অব ক্যামব্রিজ অ্যাডভান্সড একজামিনেশন বা প্রোফেন্সি একজামিনেশন) এ, বি বা সি গ্রেড থাকতে হবে। ব্যাচেলর প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে বারো বছরের শিক্ষাজীবন অর্থাত্ এইচএসসি পাস হতে হবে এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ষোল বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন হতে হবে।
ফিনল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্রিয়েটিভ রাইটিং, মিডিয়া স্টাডিজ, নর্থ আমেরিকান স্টাডিজ, ডেভোলেপমেন্ট স্টাডিজ, বায়োকেমিস্ট্রি, ফুড কেমিস্ট্রি, বায়োটেকনোলজি, ইকোলজি, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, বায়োডাইভারসিটি, অর্গানিক কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল অ্যানালাইসিস, ইলেকট্রনিকস, ইনফরমেশন টেকনোলজি, অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স, প্যাথলজি, ফরেনসিক কেমিস্ট্রি, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহেভিলিটেশন, কম্পিউটার সায়েন্স, সার্জারি, নার্সিং সায়েন্স, সোশ্যাল পলিসি, পাবলিক হেলথ, মেডিক্যাল ফিজিক্স অ্যান্ড কেমিস্ট্রি, বিবিএ, এমবিএ, ল, ইতালিয়ান স্টাডিজ, কম্পিউটার সায়েন্স, ইলেকট্রনিকস ইনফরমেশন টেকনোলজি ইত্যাদি বিষয়ে পড়া যায়।
এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত টিউশন ফি লাগে না। তবে শিক্ষার্থীদের থাকা, খাওয়া, পোশাকসহ অন্যান্য খাতে একজন শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে প্রায় ৪০০ এবং চিকিত্সাসেবার জন্য বছরে ২৫—৭৫ মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হয়। আলাদাভাবে থাকতে গেলে ফ্ল্যাট বাড়িতে প্রতি মাসে খরচ হয় প্রায় ১১০—২০০ মার্কিন ডলার।
ফিনল্যান্ডের যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সেই প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদনপত্র পেতে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। অবশ্য কোনো কোনো ভার্সিটির অনলাইনে আবেদন করার সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া ফিনল্যান্ডের নির্ধারিত অফিস থেকেও আবেদনপত্র পাওয়া যাবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়
একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ চারটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চারটি বিষয় পছন্দ করতে পারে। তবে যেহেতু দুইটার বেশি বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়, সেই জন্য এক ও দুই নম্বর পছন্দের তালিকায় একটি বিষয় ও দুটি ভিন্ন ভিন্ন ইউনিভার্সিটি এবং তিন ও চার নম্বর পছন্দের তালিকায় আরেকটি বিষয় ও দুটি ভিন্ন ভিন্ন ইউনিভার্সিটি পছন্দ করলে ভর্তি হওয়ার সম্ভাব্যতা বৃদ্ধি পাবে।

ভিসা প্রক্রিয়া ও ব্যাংক ব্যালেন্স
বাংলাদেশে ফিনল্যান্ডের অ্যাম্বাসি না থাকায় ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভিসার জন্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীস্থ ফিনিশ অ্যাম্বাসীতে (Embassy of Finland) আবেদনপত্র জমা দিতে হয়। ভিসা আবেদনপত্র http://www.migri.fi/ তে পাওয়া যায়। এখান থেকে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য নিরধারিত ফর্ম ডাউনলোড করে স্পস্ট অক্ষরে প্রয়োজনীয় তথ্য পুরন করতে হবে। ভিসা আবেদনপত্র জমাদানের সময় এসএসসি বা সমমান এবং এইসএসসি বা সমমান পরীক্ষার মুল সার্টিফিকেট ও মুল মার্কশীট, মূল বীমা (Insurance Paper) কপি, জন্মনিবন্ধন সনদপত্র, ইংরেজী ভাষার যোগ্যতার সনদপত্র (টোফেল অথবা আইইএলটিএস), ব্যাংক সার্টিফিকেট (Bank Certificate) ও তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের (Bank Statement)মূলকপি দেখাতে হবে। আবেদনপত্র এবং অন্যান্য কাগজপত্রের ২ সেট ফটোকপি ভিসার জন্য নির্ধারিত সাইজের ৪ কপি ছবিসহ জমা দিতে হবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নিজ নামে খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬০০০ (ছয় হাজার) ইউরো সমমান টাকা এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত গচ্ছিত রাখার প্রয়োজন হতে পারে। উল্লেখ্য ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং পিএইচডি সব প্রোগ্রামের জন্যই ভিসা প্রক্রিয়া একই রকম।

এখন আসি টাকা-পয়সার ব্যাপারেঃ
সাধারনত ফিনল্যান্ডে মাস্টার্সে ফান্ড পাওয়া যায় না (ইরাসমাস ব্যাতিত)। পি.এইচ.ডি এর জন্য ও ফান্ড পাওয়া বেশ কঠিন। কিন্তু এইখানে মাস্টার্স করার পর পি.এইচ.ডি'র জন্য আবেদন করলে সহজে ফান্ড পাওয়া যায়। এইখানের সুবিধা হইল  যে কোন টিউশন ফী দেওয়া লাগে না (শুধু মাত্র আলতো বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া, ২ নং লিঙ্ক দ্রষ্টব্য, এইটাতে ২০১১- ২০১২ থেকে টিউশন ফি দিয়ে দিছে।মানে এই বছর যারা আসবে তাদেরকে দিতে হবে। বছরে ৮০০০ ইউরো! ) শুধু থাকা খাওয়ার খরচ নিজে ম্যানেজ করা লাগে। থাকা খাওয়ার জন্য মাসে গড়ে ৩৫০-৩৭০ ইউরো খরচ পড়ে। তবে শেয়ারে থাকলে খরচ অনেক কম পড়বে।

# রুম ভাড়াঃ ২২০-২৪০ ইউরো
# খাওয়াঃ ৮০-৯০ ইউরো
# অন্যান্যঃ ২০-৪০ ইউরো

এই খরচের হিসাবটা একজনের একা থাকার ক্ষেত্রে। শহর ভেদে কম-বেশি হতে পারে।

থাকার জন্য স্টুডেন্ট এপার্টমেন্ট আছে। সাধারনত সবাই এটাতেই থাকে। আর স্টুডেন্ট এপার্টমেন্ট গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশে হওয়াতে যাতায়াত খরচ নাই বললেই চলে। যেমন আমার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে বা নিত্যদিনের বাজার সদাই কিনতে কোন যাতায়াত খরচ লাগে না। কারন বিশ্ববিদ্যালয় বা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে হেটে যেতে ৪/৫ মিনিট। সবই খুব কাছাকাছি দুরত্তে। তারপরও মাসে ১০/১৫ ইউরো বাস কার্ডে খরচ হয়।

আয়ের উৎসঃ
এইখানে স্টুডেন্টরা পার্টটাইম কাজ করার সুযোগ পায়। সপ্তাহে ২৫ ঘন্টা। তবে নতুন অবস্থায় এসে কাজ পেতে সমস্যা হয়। তাই আমি বলবো প্রথমে আসার সময় ৬-৮ মাসের থাকা খাওয়ার খরচ নিয়ে আসা ভাল।

পার্টটাইম কাজ সাধারনত ক্লিনিং কোম্পানি গুলোতেই হয়। কারন অন্যান্য কাজের জন্য ভাষাটা প্রধান সম্যসা। ফিনিশ ভাষা না জানলে অন্যান্য কাজ গুলো সাধারনত পাওয়া যায় না।

আই.টি স্টুডেন্টদের আরেকটা সুবিধা আছে। ডেমলা নামে একটা ওরগানাইজেশন আছে, যারা বিভিন্ন সফটওয়্যার কোম্পানি থেকে প্রজেক্ট নিয়ে স্টুডেন্টদের দিয়ে করিয়ে থাকে। অনেকটা ফ্রিল্যানসিংয়ের মত। আর এইরকম কাজের অভিজ্ঞতা পরবর্তিতে জবের জন্য ভাল হয়। আমি বর্তমানে এইরকম একটা প্রজেক্টে কাজ করতেসি। এমনকি আপনার কোন একাডেমিক প্রজেক্টের ক্রেডিট এই প্রজেক্টে ঢুকাতে পারবেন।
ডেমলার ব্যাপারে জানতে হলেঃ http://www.demola.fi/

আইটির জন্য ফিনল্যান্ড ভাল অপশন। জবের অবস্থাও ভাল। নকিয়া ছাড়াও অন্যান্য সফটওয়ার ফার্মে কাজ পাওয়ার ভাল সুযোগ আছে। প্রথম বছর হয়তো একটু কষ্ট হবে। কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমান ক্রেডিট সম্পন্ন করার পর জব/ফান্ডিং ম্যানেজ হয়ে গেলে তখন আরাম-ই আরাম!

আবার ৫০-৬০ ক্রেডিট সম্পন্ন করার পর টি.এ শিপের জন্য আবেদন করা যায়। আর টি.এ হলে মাস্টার্স থিসিস ও পরে পি এইচ ডি ফান্ডিং এর জন্য সুবিধা হয়।

মাস্টার্স করতে দেড় থেকে দুই বছর আর ১২০ ক্রেডিট সম্পপন্ন করা লাগে। কিন্তু আপনি চাইলে বেশি সময় ও নিতে পারেন। চার বছরের মধ্যে শেষ করলে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো দুই বছরের মধ্যে করার জন্য রেকমেন্ড করে। আর পি এইচ ডি'র ক্ষেত্রে সময়টা সাড়ে তিন থেকে ছয় বছর।

মাস্টার্সে ভর্তির কয়েকটি সংক্ষিপ্ত তথ্য
ফিনল্যান্ডের সবগুলো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ইংরেজী ভাষায় মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে। অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটিগুলোতে মাস্টার্স বা এমবিএ করতে তিন বছরের চাকুরীর অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। কয়েকটি ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ ছাড়া আর কোন মাস্টার্স প্রোগ্রামেই টিউশন ফি নেই। অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স বা এমবিএ প্রোগ্রামে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা http://www.admissions.fi/ থেকে ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে ঢুকে বিস্তারিত জানতে পারবে।

অন্যদিকে জেনারেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশ কয়েকটি বিষয়ে মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে। মাস্টার্সে ভর্তির জন্য অবশ্য বিদেশী শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। জেনারেল এবং অ্যাপ্লাইড সকল বিশ্ববিদ্যালয়েই মাস্টার্সে আবেদন করার নূন্যতম যোগ্যতা আইইএলটিএস (IELTS) ৬.৫ সহ ব্যাচেলর ডিগ্রী। জেনারেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য http://www.universityadmissions.fi/ তে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

পিএইচডি সম্পর্কিত কয়েকটি তথ্য
ফিনল্যান্ডে পিএইচডি করতে হলেও ইংরেজী ভাষায় দক্ষতার প্রয়োজন হয়। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই পিএইচডি করতে আইইএলটিএস (IELTS) অথবা ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা প্রমানের যেকোন কোর্স সম্পন্ন করার দরকার হয়। আইইএলটিএস এ স্কোর সর্বনিম্ন ৬.৫। ফিনল্যান্ডে পিএইচডি করার জন্য সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে পছন্দের বিষয়ের কোন প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ করলে আশা করি জবাব পাওয়া যাবে। পিএইচডি সম্পর্কিত অন্যান্য ব্যাপারে জানার জন্যও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের দ্বায়িত্বরত শিক্ষক বা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় তথ্য যেখানে পাওয়া যাবে
অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটিগুলোতে ব্যাচেলর ডিগ্রীতে ভর্তির প্রয়োজনীয় সকল তথ্য http://www.admisions.fi/ এবং জেনারেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাচেলর বা মাস্টার্সে ভর্তির প্রয়োজনীয় সকল তথ্য http://www.universityadmissions.fi/ তে পাওয়া যাবে। এখান থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে পিএইচডি সম্পর্কিত দরকারী তথ্যও জানা যাবে। ভিসার জন্য http://www.migri.fi/ থেকে দরকারী তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। এছাড়া ছবি তোলার জন্য নিচের ওয়েবসাইটটিতে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা পাওয়া যাবে। Click This Link: http://www.poliisi.fi/poliisi/home.nsf/pages/AAF8DA6C2A3D663AC22570910026CA45

আপনি কোন পথে যাবেন?

# আপনার যদি চাকুরি করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে মাস্টার্সই যথেষ্ঠ। এমনকি আপনি ৯০ ক্রেডিট সম্পন্ন করার পর, থিসিস করার পাশাপাশি জবের জন্য আপ্লাই করতে পারেন।

# আর যদি আপনি একাডেমিক লাইনে থাকতে চান তাহলে, টি এ শিপটা আপনার জন্য ভাল। এটা নির্ভর করছে আপনার উপর।

ফিনল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি গুলোর সম্পূর্ণ লিস্ট পেতে এই লিঙ্কে যান ।



ইউনিভার্সিটি এর সম্পূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়াটা এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হয়ে থাকে ।

http://universityadmissions.fi/ (এইটা একটা সেন্ট্রাল এডমিশন সাইট।)


ফিনল্যান্ডে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়া তুলনামূলকভাবে একটু কঠিন হওয়ায় এবং ব্যাচেলর ডিগ্রীতে ভর্তি হওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ ও আইইএলটিএস (IELTS) এ কম  স্কোর প্রয়োজন হওয়ায় মাস্টার্সে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরাও ব্যাচেলর প্রোগ্রামের জন্য চেষ্টা করতে পারে। পরবর্তীতে ফিনল্যান্ডে আসার পর মাস্টার্সের জন্য নিজের ইচ্ছামত জায়গায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। ব্যাচেলর বা মাস্টার্স পাশ কেউ যদি ব্যাচেলর ডিগ্রীতে ভর্তির আবেদন করে সেক্ষেত্রে আবেদনপত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা এইসএসসি (HSC) উল্লেখ করতে হবে।

আমার তথ্য গুলো বেশিরভাগই প্রকৌশল ও বিজ্ঞান বিষয়ের উচ্চতর শিক্ষার ব্যাপারে। তবে উপরের লিঙ্ক গুলোতে ব্রাউজ করলে আশা করি অন্যরাও রেলেভেন্ট জিনিস গুলো পাবেন।

প্রতিবছর বংলাদেশ থেকে উল্লখযোগ্য সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ইউএসএ, বৃটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমায়। বৃটেন, অস্ট্রেলিয়া বা কানাডার প্রতি অধিকাংশ বিদেশ গমনেচ্ছু ছাত্র ছাত্রীদের আকাঙ্খা থাকলেও বিগত কয়েক বছরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ফিনল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক ও জার্মানিতে বেশকিছু বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর আগমন ঘটেছে। আজকে অবশ্য আমি ফিনল্যান্ডে পড়াশুনার ব্যাপারে কয়েকটি ভাল দিক নিয়ে কিছু কথা বলব। কেউ যদি সত্যিকার অর্থে লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে বিদেশে আসতে চায় তাদের জন্য ফিনল্যান্ড হতে পারে একটা আদর্শ জায়গা। এখানে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য প্রচুর সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তবে অনেকেরই এগুলো সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকায় এখানে আসার প্রতি তেমন একটা আগ্রহ লক্ষ্য করা যায় না।

বিশেষ ধন্যবাদ > হাইয়ার স্টাডি বিডি . সব কিছুর আপডেট পেতে নজর রাখুন আমাদের ফেসবুক পেইজে । 

আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা - STUDY IN IRELAND (বিস্তারিত)

                                                                                                আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা - STUDY IN IRELAND
ইউরোপের এ উচ্চশিক্ষায় বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আয়ারল্যান্ড । বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা আয়ারল্যান্ডে আসতে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য দেওয়া হল প্রয়োজনীয় তথ্যাদি। আশা করি সবার কাজে আসবে । 

যেসব ডিগ্রি অর্জন করা যেতে পারেঃ
ক· ব্যাচেলর ডিগ্রি,
খ· হায়ার ডিগ্রি
গ· মাস্টার ডিগ্রি এবং
ঘ· ডক্টরাল বা পিএইচডি ডিগ্রি।

সেমিস্টারসমূহঃ
১· ফল সেমিস্টারঃ আগস্ট থেকে ডিসেম্বর
২· স্প্রিং সেমিস্টারঃ জানুয়ারি থেকে মে।

কোর্সের মেয়াদঃ
ব্যাচেলর ডিগ্রি তিন থেকে চার বছরের হয়ে থাকে। তবে ভেটেরিনারি মেডিসিন, আর্কিটেকচার, ডেনটিস্ট এবং মেডিসিনের ক্ষেত্রে ছয় বছর লাগে। মাস্টার ডিগ্রি এক থেকে তিন এবং ডক্টরাল কিংবা পিএইচডি ডিগ্রি তিন থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি।

ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রামের আওতাধীন বিষয়ঃ
অ্যাকাউটিং, অ্যাগ্রিকালচার, অ্যানাটমি, অ্যাপ্লায়েড ম্যাথমেটিক্স, আর্কিটেকচার, ডিজাইন, আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ, অডিও ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং, এভিয়েশন স্টাডিজ, ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, বায়োকেমিস্ট্রি, বায়োলজিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স, বায়োমেডিকেল সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, সিরামিকস, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া, ডান্স, ড্রামা, ই-কর্মাস, ইকোনমিকস ইত্যাদি।

টিউশন ফিঃ
আয়ারল্যান্ডে ব্যাচেলর ডিগ্রির ক্ষেত্রে বছরে ১০ হাজার ৫০০ থেকে ১৫ হাজার ১৫০ ইউরো এবং মাস্টার ডিগ্রির ক্ষেত্রে সাত হাজার ৪০০ থেকে ১৫ হাজার ৭২০ ইউরো টিউশন ফি লাগে।

ভর্তির যোগ্যতাঃ
ক· ব্যাচেলর প্রোগ্রামঃ ১২ বছরের শিক্ষাজীবন অর্থাৎ এইচএসসি পাস হতে হবে। IELTS-এ ৫·৫ থেকে ৬·০ পয়েন্ট পেতে হবে অথবা TOEFL-এর CBTতে ২১৩ বা IBTতে ৭৯ থেকে ৮০ পয়েন্ট হতে হবে। খ· মাস্টার্স প্রোগ্রামঃ ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন হতে হবে। IELTS-এ ৬·০ থেকে ৬·৫ পয়েন্ট পেতে হবে অথবা TOEFL-এর CBT তে ২১৩ থেকে ২৩৭ বা IBT তে ৭৯ থেকে ৯৩ পয়েন্ট হতে হবে।

ভর্তির আবেদন প্রস্তুতিতে যা করতে হবেঃ
যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনপত্র পেতে চাইলে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। অবশ্য কোনো কোনো ইউনিভার্সিটির অনলাইনে আবেদন করার সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত অফিস থেকেও আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। কাগজপত্রসহ যথাযথ আবেদন করার পর ভিসা পেতে একটু বেশী সময় লাগে। তবে অনেক ক্ষেত্রে তিন থেকে ৬ মাসের বেশী সময় লাগতে পারে। 
আবেদন ও প্রক্রিয়াসংক্রান্ত তথ্য পেতে  +৯১-১১ ৪৬২৬৭১৪ নম্বরে ডায়াল করে জেনে নিতে পারেন সম্পূর্ণ ভিসা প্রক্রিয়া । 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে শিক্ষাগত কাগজপত্রসহ নম্বরপত্র, আবেদনপত্রের ফি পরিশোধের রসিদ, আই ই এল টি এস  -এর ফল, পাসপোর্টের অনুলিপি, স্পন্সরের কাছ থেকে পাওয়া আর্থিক দায়দায়িত্বের চিঠি এবং পাসপোর্ট আকারের ছবি। উল্লেখ্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে।

ক্রেডিট ট্রান্সফারঃ
শিক্ষার্থীরা আন্ডার-গ্র্যাজুয়েট কিংবা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েটের ক্ষেত্রে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে পারবেন। তবে কোর্স ৫০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হলে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যাবে না। একাডেমিক ট্রান্সক্রিপটের অফিশিয়াল কপি জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স সম্পন্ন করা হয়েছে, সেখানকার কাগজপত্র দিতে হয়। আয়ারল্যান্ডের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম বি গ্রেড পর্যন্ত নেওয়া হয়।

কাজের সুযোগঃ 

ব্যাচেলর স্তরে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ভেদে পুরো কোর্সের টিউশন ফি বাবদ ৯ থেকে ১৫ হাজার ইউরো খরচ হবে। তবে কলেজে পড়াশোনা করতে প্রায় ৩০ শতাংশ খরচ কম হয়। প্রতি মাসে ৩০০ থেকে ৫০০ ইউরো দিয়েই অনায়াসে থাকা, খাওয়া, যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ মেটাতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, এক ইউরো প্রায় ১০০ টাকার সমান।আয়ারল্যান্ডে সাধারণত ইউরোপের বাইরের দেশের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য ইউরোপ এর রুলস অনুযায়ী কাজের সুযোগ আছে । বিদেশি শিক্ষার্থীরা ওয়ার্ক পারমিট ছাড়াই খণ্ডকালীন কাজের অনুমতি পান। সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করার সুযোগ আছে। আর গ্রীষ্মের ছুটিতে তিন মাস 'ফুল টাইম' কাজ করা যায়। রেস্টুরেন্ট, দোকান, শপিং মলে কাজ করে ঘণ্টায় সাত থেকে ১২ ইউরো পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।

আছে বৃত্তির সুযোগ 
কিছু সংস্থা বিদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সুযোগ করে দিচ্ছে। আবার কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে ভালো ফলের ভিত্তিতে। www.educationireland.ie/study-advice/scholarships.htm l এই লিংক থেকে জেনে নিতে পারবেন বৃত্তির খবরাখবর।


কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব ঠিকানাঃ
1. Dublin City University, http://www.dcu.ie
2. University Of Limerick, http://www.ul.ie
3. University Of Dublin, http://www.tcd.ie
4. National University Of Ireland, http://www.nui.ie
5. University Of Ulster, http://www.ulster.ac.uk
6. Queen,s university, http://www.qua.ac.uk
7. Schiller International University, http://www.schilla.edu

আরও 
কয়েকটি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় 
১. ডাবলিন সিটি ইউনিভার্সিটি (www.dcu.ie  )
২. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব অ্যায়ারল্যান্ড (www.nuigalway.ie  )
৩. ট্রিনিটি কলেজ, ডাবলিন (www.tcd.ie )
৪. ইউনিভার্সিটি কলেজ, ডাবলিন (www.ucd.ie )
৫. রকওয়েল কলেজ (www.rockwellcollege.ie )
৬. গ্রিফিথ ইউনিভার্সিটি (www.gcd.ie )
৭. অ্যাথোলেন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (www.ait.ie )। 


আয়ারল্যান্ডের বাংলাদেশে কোন দূতাবাস নেই ।যার ফলে ভিসা আবেদনের জন্য যেতে হয় ইন্ডিয়া তে ।
আয়ারল্যান্ডের দূতাবাসের ঠিকানাঃ 
The Embassy Of Ireland, 230 Jor Bagh, New Delhi-3, India, Tel: 011-24626733/ 741/ 714/743, Visa Office Fax: 011 – 2460 3335
E-mail: ireland@ndf.vsnl.net.in
Web: http://www.irelandinindia.com



আয়ারল্যান্ডের উচ্চশিক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্কেটি অনুসরণ করুন । আরও একটি লিঙ্ক দিচ্ছি যা আপনাকে আয়ারল্যান্ডের উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সব ধরনের তথ্য পাবেন  এই ওয়েবসাইট থেকে ।
ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপডেট পেতে নজর রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে ।



সাম্প্রতিক পোষ্টসমূহ - Recent Posts

 

Visitors


ShareThis

আমাকে ফলো করুন >>

Total Visitors


 
^ Back ToTop